নাজিরবাজার-খন্দকারবাজার সড়কে শীত মৌসুমেও কাদা!

প্রকাশিত: ১২:৩৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

নাজিরবাজার-খন্দকারবাজার সড়কে শীত মৌসুমেও কাদা!

এফ জুম্মানঃ

ওসমানীনগর উপজেলার নাজিরবাজার-খন্দকার বাজার সড়কে খোলাভাবে ট্রাক, ট্রাক্টার করে মাটি পরিবহনের কারণে রাস্তায় মাটি পড়ে পিচ্ছিল হয়ে ওঠায় প্রায়ই ঘঠছে দুর্ঘটনা। খোলাভাবে মাটি পরিবহনের ফলে জনগণের চলাচল এবং মাঠি বহনকৃত অধিক গাড়ি চলাচলের কারলে ধূলায় চোখের ক্ষতি ও দুর্ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত এ অবস্থা চলতে থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে সম্পূর্ন নিরব রয়েছেন।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত এক মাস থেকে রুনীয়ার হাওর থেকে সিলেটের বহুল পরিচিত ও জনবহুল নাজিরবাজার-খন্দকার বাজার সড়ক দিয়ে বিভিন্ন ইট ভাটা ও নতুন বাড়ীঘর নির্মাণে ব্যবহৃত মাটি পরিবহণ করা হচ্ছে। প্রতিদিন এসব পরিবহণ কালিন মাটি রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় বৃষ্টি ও কুয়াশায় কাদায় পরিনতে হয়ে পুরো রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায়। এতে পায়ে হাঁটা দূরের কথা চলাচলকারী যানবাহন গুলো প্রায়ই দূর্ঘটনায় পতিত হয়।

 

তাছাড়া অধিক মাটি পরিবহণের ফলে রাস্তার ঢালাই কোথাও কোথাও ফাটলসহ গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি রাস্তার পাশে ব্যবহৃত ইটগুলো উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গণের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে এ রাস্তা দিয়ে যানবাহন এবং জনসাধারণ চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। চিন্তামনি-খন্দকার বাজার সড়কে মাটি পরিবহণের ব্যাপারে গত ১৭জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধায় ওসমানীনগর উপজেলার চিন্তামনি গ্রামে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের জনসাধারণের উপস্থিতিতে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।

 

সভায় দূর্ঘটনা সৃষ্টিকারী অবৈধ মাটি পরিবহণকারী ট্রাক ও ট্রাক্টারকে প্রতিহতের ঘোষণাসহ এব্যাপারে প্রশাসনকে অবগত করার সিদ্বান্ত গ্রহন করা হয়। গত শুক্রবার সড়কের চিন্তামনি এলাকায় রাস্তায় মাটি পড়ে থাকার কারণে কুয়াশা এবং বৃষ্টিতে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় পর পর কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

 

চিন্তামনি গ্রামের একাধিক বাসিন্দারা জানান, জনবহুল নাজিরবাজার-খন্দকার বাজার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অগণিত ট্রাক ও ট্রক্টার দিয়ে রুনিয়ার হাওর থেকে মাটি নিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানের ইট ভাটা ও বাড়ীঘর তৈরিতে পরিবহণ করা হচ্ছে। অত্যাধিক পরিবহণের ফলে সড়কটির শুধু স্থায়িত্ব নষ্টই হচ্ছে না বরং চলাচলকারী যান এবং জনসাধারণকে দূর্ঘটনার আশংকায় থাকতে হচ্ছে। প্রশাসন সুদৃষ্টি দিলে এসব অবৈধ মাটি পরিবহণ করা বন্ধ হবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, এব্যাপারে প্রয়াজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এলবিএন/22 জা/ এফ/02

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

February 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728