প্রেমের টানে নেপালী তরুনী বাংলাদেশে

প্রকাশিত: ৪:২৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

প্রেমের টানে নেপালী তরুনী বাংলাদেশে

লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ

প্রেমের টানে বাংলাদেশে আগমন ঘটেছে এক নেপালী তরুনীর। সেই তরুণীর নাম সানজু কুমারী খাত্রী (২০)। মালেশিয়ায় একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে একে অপরের সঙ্গে চেনা-জানা। এরপর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই প্রেমের টানেই বাংলাদেশে ছুটে আসেন  নামে এক নেপালি তরুণী। পরে ধর্মান্তরিত হয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুরের যুবক নাজমুল ইসলামকে (২৫) বিয়ে করেন তিনি। মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করায় নেপালি ওই তরুণীর নাম রাখা হয় খাদিজা আক্তার। আর নাজমুল ইসলাম উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের হুমায়ুন মিয়ার ছেলে।

 

জানা গেছে, প্রায় চার বছর ধরে মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে কাজ করার সময় পরস্পরের জানা-শোনা হয়। ওই পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর প্রেমিক যুবকের সঙ্গে বাংলাদেশে চলে আসেন নেপালের ওই তরুণী। পরে ধর্মান্তরিত হয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাজমুল ও খাদিজা। এর ১৫ দিন আগে নেপাল থেকে তারা একসঙ্গে বাংলাদেশে আসেন।

 

সরেজমিনে ওই বাড়তে গিয়ে দেখা যায়, বাঙালি পোশাক পরে স্বাভাবিক কাজকর্ম করছেন নেপালের ওই তরুণী। তিনি বাঙালি আচার-আচারণ ও পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধান করলেও ভাষাগত কিছু সমস্যা রয়েছে। তার স্ত্রী বাংলা ভাষা বোঝে, কিন্তু বলতে কিছুটা সমস্যা হয় বলে জানিয়েছেন নাজমুল। নেপালি আদালতেও তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান সখীপুরের এই যুবক। তিনি বলেন, ‘তারপর টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কোর্ট ম্যারেজ করেন এবং স্থানীয় এক নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়।

 

নেপালের কাঠমান্ডু শহরেই তরুণীর বাড়ি। সেখান থেকে পারিবারিক সম্পর্ক ছিন্ন করে তার হাত ধরে খাদিজা বাংলাদেশে আসে বলে জানান নাজমুল।

 

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে খাদিজা আক্তারের নেপালি ভাষার অনুবাদ করে নাজমুল বলেন, ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও গ্রাম্য পরিবেশ আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। নাজমুলকে অনেক ভালোবাসি। আমি আর নেপালে ফিরে যাবো না।

 

নাজমুল আরও বলেন, ‘একটি হিন্দু মেয়ে আমাকে ভালোবেসে মুসলমান হয়ে আমাকে বিয়ে করেছে এবং দেশত্যাগ করে বাংলাদেশে এসেছে। আমি ওর প্রতি কৃতজ্ঞ। সবার কাছে আমাদের জন্য দোয়া চাই।

 

ছেলের বউ দেখে খুশি নাজমুলের বাবা হুমায়ুন মিয়াও। তিনি বলেন, ‘ওদের আনন্দেই আমরা আনন্দিত।’ এ সংবাদ পেয়ে নবদম্পতিকে দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ তাদের বাড়িতে আসছেন বলেও জানান হুমায়ুন মিয়া।

Spread the love

আর্কাইভ

July 2024
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031