বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা হচ্ছে : জয়নুল আবেদীন

প্রকাশিত: ৬:১৭ অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০২২

বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা হচ্ছে : জয়নুল আবেদীন
Spread the love

২৫ Views

লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ‘আমার কানে একটা কথা এসেছে- আমাদের দলের মধ্যে একটা ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হালুয়ারুটি দেবে, এই লোভে কিছু লোক চলে যাবে। যদিও আমি এ ধরনের লক্ষণ দেখি না। তারপরও যা কানে শুনি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনারা যদি হালুয়ারুটির লোভের কারণে চলে যান, দলের সঙ্গে বেইমানি করেন, এই বেইমানদের জায়গা বাংলাদেশের মাটিতে হবে না। ’ আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকা জেলা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দল ও জোটের নেতাদের বাড়ি-গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ দেশের সকল জেলা ও মহানগরে সমাবেশ করছে বিএনপি। সমাবেশ সফল করতে স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব এবং সম্পাদক পর্যায়ের ৭৫ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সংশ্লিষ্ট জেলা ও মহানগরে অবস্থান করছেন।

 

ঢাকা জেলা বিএনপির সমাবেশে জেলার সভাপতি ডা. দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় নেতা তমিজ উদ্দিন, নিপুণ রায় চৌধুরীসহ জেলা ও থানার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। সরকারের উদ্দেশে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘এই দল জিয়াউর রহমানের দল, খালেদা জিয়ার দল, তারেক রহমানের দল। যত চেষ্টাই করেন এই দলকে ভাঙা যাবে না। এই দল মচকাবে ভাঙবে না। ’ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে শুনেছেন। এই দল ভাঙার ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতাসীনরা বক্তব্য দিচ্ছে, সরকার পতনের জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সরকারকে বলবো, এটা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র না।

 

দেশের মানুষ জেগে উঠেছে। দেশের মানুষ যে আন্দোলন করছে, এটা আপনাদের পতনের আন্দোলন। এই ষড়যন্ত্রের কথা বলে আপনারা থামাতে পারবেন না। এই সময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আন্দোলনের কী দেখেছেন? এরশাদ ৯ বছর ক্ষমতায় ছিল, তখন আমাদের দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসে নাই। আপনারা হচ্ছেন বড় স্বৈরাচার, ভাবছেন আপনাদের ক্ষমতা থেকে নামানো যাবে না। শ্রীলঙ্কার কথা স্মরণ করেন। কীভাবে জনগণের আন্দোলনের কাছে হার মেনেছে। আমাদের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান, অতএব এই আন্দোলন থামানো যাবে না।

 

এই সরকারের বেশি দিন সময় নেই বলে উল্লেখ করেন জয়নুল আবেদীন। দেশনেত্রী অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার এই আইনজীবী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া একটি টাকা আত্মসাৎ না করেও তাকে জেলে পুরে রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেন, তার নাকি বিদেশে চিকিৎসা করারও সুযোগ নেই। সম্প্রতি মেহেরপুরের এক সভায় আইনমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করে আমি বলেছিলাম, আইনে সুযোগ রয়েছে ম্যাডাম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার। আইনমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, যদি আইনে সুযোগ না থাকে আমি জীবনে কোনদিন সুপ্রীম কোর্টে ওকালতি করবো না। আর যদি সুযোগ থাকে তাহলে আইনমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।

 

 

আইনমন্ত্রী আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেননি। তিনি আরও বলেন, সরকার আসলে খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় তিলে তিলে মেরে ফেলতে চাচ্ছে। আল্লাহর রহমতে খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন। আমি আশা করি, এই সরকারের পতন না দেখে খালেদা জিয়ার মৃত্যু হবে না। গুম খুনের চিত্র তুলে ধরে অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী উপস্থিত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে বলেন, আপনাদের দিকে দেশের মানুষ তাকিয়ে আছেন। বোন তার ভাইকে হারিয়েছে, মা-বাবা তারা সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রী তার স্বামীকে হারিয়েছেন, সন্তান তার বাবাকে হারিয়েছেন। এসব পরিবার হারানো স্বজনদের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছেন। আশা করে আছেন, এই সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে স্বজনহারা পরিবার তার প্রিয় স্বজনের সন্ধান পাবেন।

 

আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ভোটাধিকার ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো। এজন্য আমাদের আরও প্রস্তুতি নিতে হবে।বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ‘আমার কানে একটা কথা এসেছে- আমাদের দলের মধ্যে একটা ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হালুয়ারুটি দেবে, এই লোভে কিছু লোক চলে যাবে। যদিও আমি এ ধরনের লক্ষণ দেখি না। তারপরও যা কানে শুনি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনারা যদি হালুয়ারুটির লোভের কারণে চলে যান, দলের সঙ্গে বেইমানি করেন, এই বেইমানদের জায়গা বাংলাদেশের মাটিতে হবে না।

 

’ আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকা জেলা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দল ও জোটের নেতাদের বাড়ি-গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ দেশের সকল জেলা ও মহানগরে সমাবেশ করছে বিএনপি। সমাবেশ সফল করতে স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব এবং সম্পাদক পর্যায়ের ৭৫ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সংশ্লিষ্ট জেলা ও মহানগরে অবস্থান করছেন। ঢাকা জেলা বিএনপির সমাবেশে জেলার সভাপতি ডা. দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় নেতা তমিজ উদ্দিন, নিপুণ রায় চৌধুরীসহ জেলা ও থানার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। সরকারের উদ্দেশে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘এই দল জিয়াউর রহমানের দল, খালেদা জিয়ার দল, তারেক রহমানের দল। যত চেষ্টাই করেন এই দলকে ভাঙা যাবে না। এই দল মচকাবে ভাঙবে না। ’ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে শুনেছেন। এই দল ভাঙার ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতাসীনরা বক্তব্য দিচ্ছে, সরকার পতনের জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

 

সরকারকে বলবো, এটা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র না। দেশের মানুষ জেগে উঠেছে। দেশের মানুষ যে আন্দোলন করছে, এটা আপনাদের পতনের আন্দোলন। এই ষড়যন্ত্রের কথা বলে আপনারা থামাতে পারবেন না। এই সময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আন্দোলনের কী দেখেছেন? এরশাদ ৯ বছর ক্ষমতায় ছিল, তখন আমাদের দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসে নাই। আপনারা হচ্ছেন বড় স্বৈরাচার, ভাবছেন আপনাদের ক্ষমতা থেকে নামানো যাবে না।

 

শ্রীলঙ্কার কথা স্মরণ করেন। কীভাবে জনগণের আন্দোলনের কাছে হার মেনেছে। আমাদের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান, অতএব এই আন্দোলন থামানো যাবে না। এই সরকারের বেশি দিন সময় নেই বলে উল্লেখ করেন জয়নুল আবেদীন। দেশনেত্রী অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার এই আইনজীবী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া একটি টাকা আত্মসাৎ না করেও তাকে জেলে পুরে রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেন, তার নাকি বিদেশে চিকিৎসা করারও সুযোগ নেই।

 

 

সম্প্রতি মেহেরপুরের এক সভায় আইনমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করে আমি বলেছিলাম, আইনে সুযোগ রয়েছে ম্যাডাম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার। আইনমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, যদি আইনে সুযোগ না থাকে আমি জীবনে কোনদিন সুপ্রীম কোর্টে ওকালতি করবো না। আর যদি সুযোগ থাকে তাহলে আইনমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আইনমন্ত্রী আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেননি। তিনি আরও বলেন, সরকার আসলে খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় তিলে তিলে মেরে ফেলতে চাচ্ছে। আল্লাহর রহমতে খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন। আমি আশা করি, এই সরকারের পতন না দেখে খালেদা জিয়ার মৃত্যু হবে না।

 

গুম খুনের চিত্র তুলে ধরে অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী উপস্থিত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উদ্দেশে বলেন, আপনাদের দিকে দেশের মানুষ তাকিয়ে আছেন। বোন তার ভাইকে হারিয়েছে, মা-বাবা তারা সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রী তার স্বামীকে হারিয়েছেন, সন্তান তার বাবাকে হারিয়েছেন। এসব পরিবার হারানো স্বজনদের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছেন। আশা করে আছেন, এই সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে স্বজনহারা পরিবার তার প্রিয় স্বজনের সন্ধান পাবেন। আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ভোটাধিকার ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো। এজন্য আমাদের আরও প্রস্তুতি নিতে হবে।


Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Follow us

আর্কাইভ

May 2022
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031