সিলেট ১৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:০৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২১
প্রতিনিধি/বালাগঞ্জঃঃ
মৎস ও মৎসজাত পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ-বাজারজাতকরণ, রপ্তানী এবং মৎসজাত পণ্য বহুমুখীকরণে অনন্য অবদান রাখায় ইউরো ফুডস লিমিটেডের সহযোগি প্রতিষ্ঠান রোজেমকো ফুডস লিমিটেড স্বর্ণ পদক লাভ করেছে। মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ২৯আগস্ট রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোজেমকো ফুডস লিমিটেডের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান শাহ সেলিম হোসেন এমবিই’র হাতে স্বর্ণ পদক ও নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের চিপ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু।
শাহ সেলিম হোসেনের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার কাজিপুর গ্রামে।শাহ মাসুক আলী ও নাম ফরিদা বেগম দম্পত্তির ৫ ছেলে ৪ মেয়ের মধ্যে শাহ সেলিম হোসেন সবার বড়। ইউরো ফুডস লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন শাহ সেলিম হোসেনের ছোট ভাই শাহ জাহান। তাদের তত্ত্বাবধানে আরো বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্টান পরিচালিত হচ্ছে। শাহ সেলিম হোসেন ও শাহ জাহানের পরিবার এলাকার উন্নয়নও আর্থ মানবতার সেবায় অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছেন।
রোজেমকো ফুডস লিমিটেড মৎস ও মৎসজাত পণ্য বহুমুখীকরণে বিবেচ্য বৎসরে ১২১০১.০৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করে ১২৪০ মে. টন মাছ রপ্তানী করে ১২০৪১.০৬ লক্ষ টাকা আয় করে। মূল্যায়ন বর্ষে প্রতিষ্ঠানটি কনসাইনমেন্ট সংখ্যা ১০৪টি এবং কোনো পণ্যের কনসাইনমেন্ট প্রত্যাখাত হয়নি। প্রতিষ্টানটিতে মৎস ও মৎসজাত পণ্য উৎপাদনে হ্যাসাপ অনুম্মরণ করা হয়। রপ্তানীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে রেপিড এলার্ট জারী হয়নি। প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক ২শ জন এবং খণ্ডকালীন ১শ জনসহ মোট ৩শ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে যা-দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে অনন্য অবদান রেখেছে। মৎস ও মৎসজাত পণ্য রপ্তানী ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও মৎস সম্পদের সামগ্রীক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয় মৎস পদক প্রদান করে।
ইউরো ফুডস লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহ সেলিম হোসেন এমবিই বলেন, রোজেমকো ফুডস লিমিটেডের মাধ্যমে খুলনা অঞ্চল থেকে চিংড়ি, হরিনাসহ মৎস ও মৎসজাত পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করা হচ্ছে। আমাকে স্বর্ণ পদক প্রদান করায় আমি সরকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ১৯৯১ সালে ২০ পাউন্ড পুঁজি নিয়ে আমি ইউরো ফুডস প্রতিষ্টা করি। দেশে এবং দেশের মানুষের জন্য কিছু একটা করতে পারছি, এজন্য নিজেকে গর্বিত মনে করছি।