পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন দেখে অভিভাবকদের মনে সন্দেহ জাগে। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে শিশুটি নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে। এ ঘটনায় গত শনিবার (১১ জুলাই) শিশুর বাবা বাদী হয়ে সোফায়েল ও সায়েককে আসামি করে শাল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সোফায়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোফায়েলকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে সুনামগঞ্জ আদালতে এবং ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিডিও ধারণকারী সায়েক মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”