সিলেট ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৩০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২৬
প্রতিনিধি / জগন্নাথপুর ::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মাত্র এক কিলোমিটার এলজিইডির রাস্তার বেহাল দশায় মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। রাস্তাটি ছোট হলেও খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চলাচল করতে হয়। রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে স্থানে স্থানে রীতিমতো খাদে পরিণত হয়েছে। এ রাস্তায় যানবাহন চলাচল তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচলও বিপদজনক হয়ে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ছোট এ রাস্তা দিয়ে বড় বড় মালাবাহী যানবাহন নির্মাণ সামগ্রী পরিবহন করার কারণে রাস্তাটি দিনে দিনে ভাঙতে ভাঙতে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও রাস্তাটি মেরামতে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
২৬ জুলাই রোববার সরেজমিনে স্থানীয় ভূক্তভোগী পথচারী জনতাদের মধ্যে অনেকে জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট এ রাস্তাটি। স্থানীয় তপশিল অফিস থেকে রাণীগঞ্জ কলেজ রোড পয়েন্ট পর্যন্ত মাত্র এক কিলোমিটার রাস্তাটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। গত প্রায় এক বছর ধরে রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তাটি অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় রাণীগঞ্জ বাজারে যানজট লেগেই থাকে। কারণ ছোট ওই বাইপাস রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত বাউধরণ, স্বজনশ্রী, গোপরাপুর সহ ভাটি জনপদের অসংখ্য গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যানবাহন নিয়ে যাতায়াত করতেন। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় বাধ্য হয়ে রাণীগঞ্জ বাজারের গলি দিয়ে চলাচল করছেন। এতে পদে পদে বেড়েছে জনভোগান্তি। তাই জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুত রাস্তাটির টেকসই মেরামত চান ভূক্তভোগী মানুষজনসহ অত্র অঞ্চলের সর্বস্তরের পথচারী জনতা। তাদের দাবি একটাই দ্রুত রাস্তার কাজ চাই। না হলে সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।
রাণীগঞ্জ বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী ধণেশ চন্দ্র রায়, ব্যবসায়ী রাজিব তালুকদার, সমাজকর্মী ফখরুল ইসলাম, প্রতিবাদী আলীনুর রহমানসহ স্থানীয় অসংস্য প্রতিবাদী লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাত্র এক কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশায় প্রতিদিন নজিরবিহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষজন। এ রাস্তায় এখন আর গাড়ি চলে না। মানুষ হেঁটেও যেতে পারে না। পুরো রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে স্থানে স্থানে খাদে পরিণত হয়েছে। আমরা রাস্তার দ্রুত সংস্কার চাই।
রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রশাসনে রাস্তারটির নাজুক অবস্থার চিত্র তুলে ধরে দ্রুত সংস্কারের প্রস্তাব করেছি। আশা করছি, কাজ শুরু হবে। এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন জানান, এ রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হয়ে আসলে কাজ শুরু হবে।