উপকূলের প্রাকৃতিক ঢাল, লাখো মানুষের জীবন-জীবিকার অবলম্বন; জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এখনই কঠোর পদক্ষেপের দাবি

প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২৬

উপকূলের প্রাকৃতিক ঢাল, লাখো মানুষের জীবন-জীবিকার অবলম্বন; জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এখনই কঠোর পদক্ষেপের দাবি

প্রতিনিধি / বাগেরহাট ::

 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বুকজুড়ে বিস্তৃত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন—শুধু একটি বন নয়, এটি বাংলাদেশের উপকূলের প্রাকৃতিক ঢাল, জীববৈচিত্র্যের অনন্য আধার এবং লাখো মানুষের জীবন-জীবিকার অবলম্বন। বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর ও বরগুনার সুন্দরবনসংলগ্ন প্রায় ১৯টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই বনের ওপর নির্ভরশীল। মাছ, কাঁকড়া, মধু, গোলপাতা, জ্বালানি ও বনজসম্পদ আহরণ থেকে শুরু করে পর্যটন—বহুমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুন্দরবন।

 

কিন্তু সেই সুন্দরবনই আজ নানা সংকটে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, দূষণ, অবৈধ দখল, বিষ দিয়ে মাছ ধরা, বন্যপ্রাণী শিকার এবং অপরিকল্পিত শিল্পায়নের চাপ একসঙ্গে আঘাত করছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলটির ওপর।

 

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শুধু সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যই নয়, উপকূলীয় জনপদের অস্তিত্বও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে।

 

একশ বছরে কমেছে সুন্দরবনের আয়তন

২০২০ সালের বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে সুন্দরবনের আয়তন কমে যাওয়ার চিত্র উঠে আসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯০৪-২৪ সালে সুন্দরবনের আয়তন ছিল প্রায় ১১ হাজার ৯০৪ বর্গকিলোমিটার। ১৯৬৭ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৬৬৩ বর্গকিলোমিটারে। পরবর্তী সময়ে আয়তন আরও কমে ২০১৫-১৬ সালে প্রায় ১১ হাজার ৫০৬ বর্গকিলোমিটারে দাঁড়ায়।

 

অর্থাৎ প্রায় এক শতকে সুন্দরবনের আয়তন কমেছে ৪৫১ বর্গকিলোমিটার।

বাংলাদেশ অংশের ক্ষেত্রেও রয়েছে উদ্বেগজনক পরিবর্তন। ওই তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯০৪-২৪ সালে বাংলাদেশ অংশের আয়তন ছিল প্রায় ৭ হাজার ১৪২ বর্গকিলোমিটার। ২০১৫-১৬ সালে তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৬ হাজার ৮৭১ বর্গকিলোমিটারে। অর্থাৎ প্রায় একশ বছরে হারিয়ে গেছে ২৫২ বর্গকিলোমিটার ভূমি।

 

ভূমি হারানোর পেছনে নদীভাঙন, জোয়ার-ভাটার পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

নদীভাঙনে প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে বনের মানচিত্র

সুন্দরবনের ভেতরে রয়েছে অসংখ্য নদী ও খাল। জোয়ারে এসব নদী-খাল পানিতে ভরে ওঠে, আবার ভাটায় পানি নেমে যায়। এই স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটার ধারায় কোথাও ভূমি গড়ে ওঠে, কোথাও ভাঙন দেখা দেয়। তবে দীর্ঘ সময়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, অনেক এলাকায় ভূমি গঠনের তুলনায় ভাঙনের প্রবণতা বেশি।

 

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা এবং পানির গতিপ্রকৃতির পরিবর্তন এই ভাঙনকে আরও তীব্র করে তুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

লবণাক্ততার ছোবলে বিপন্ন সুন্দরী

সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাড়তে থাকা লবণাক্ততা এই গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিস্তারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণা এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণাগুলোতে সুন্দরবনে গাছের ঘনত্ব কমে যাওয়ার চিত্র উঠে এসেছে। ১৯৫৯ সালে প্রতি হেক্টরে যেখানে গাছের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৯৬টি, ১৯৮৩ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১৮০টিতে এবং ১৯৯৬ সালে ১৪৪টিতে।

 

সুন্দরী গাছের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পতন দেখা যায়। ১৯৫৯ সালে প্রতি হেক্টরে সুন্দরী গাছ ছিল প্রায় ২১১টি। ১৯৮৩ সালে তা কমে ১২৫ এবং ১৯৯৬ সালে ১০৬টিতে নেমে আসে।

 

লবণাক্ততা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে শুষ্ক মৌসুমে মিঠা পানির প্রবাহ কমে যাওয়াকে চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা। মিঠা পানির প্রবাহ কমলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি আরও ভেতরে প্রবেশ করে। এতে কম লবণসহিষ্ণু উদ্ভিদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

 

জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি আঘাত

সুন্দরবন জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম সম্মুখসারির শিকার। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন—সবকিছু মিলিয়ে বনটির ওপর ক্রমাগত চাপ তৈরি হচ্ছে।

 

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাতও সুন্দরবনের প্রতিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, লবণাক্ততা বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বনের বিভিন্ন অংশে ভাঙনও দেখা যাচ্ছে। সুন্দরবন রক্ষায় সব ধরনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে।

 

দখল ও অপরিকল্পিত শিল্পায়নের চাপ

প্রাকৃতিক সংকটের পাশাপাশি সুন্দরবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে মানবসৃষ্ট চাপ। সুন্দরবনের চারপাশে শিল্পায়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, জমি কেনাবেচা এবং দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

 

সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বা ইসিএ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই এলাকার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও পরিবেশের ক্ষতি হয়—এমন কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের বিধান রয়েছে।

কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রকল্প, চালকল, করাতকল, সিমেন্ট কারখানা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রকল্প গড়ে ওঠার তথ্য উঠে এসেছে।

 

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সুন্দরবনের চারপাশে শিল্প ও অবকাঠামোর চাপ যত বাড়বে, ততই বনটির প্রাকৃতিক প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

 

বিষ দিয়ে মাছ ধরা—নীরব মৃত্যুফাঁদ

সুন্দরবনের নদী ও খাল শুধু মাছের আবাসস্থল নয়, পুরো বনজ প্রতিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু এসব জলাশয়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

 

বিষ দিয়ে মাছ ধরলে শুধু কাঙ্ক্ষিত মাছই মারা যায় না, পানিতে থাকা অন্যান্য জলজ প্রাণী, মাছের পোনা, জলজ উদ্ভিদ ও খাদ্যশৃঙ্খলের ওপরও ব্যাপক প্রভাব পড়ে।

 

সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তারাও বিষ দিয়ে মাছ ধরাকে বনের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, গাছ কাটার প্রবণতা আগের তুলনায় কমলেও বিষ দিয়ে মাছ ধরার মতো নতুন ধরনের নির্যাতন বনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

 

কমছে জীববৈচিত্র্যের নিরাপদ আবাস

সুন্দরবন জীববৈচিত্র্যের এক অসাধারণ ভাণ্ডার। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সুন্দরবনে শত শত প্রজাতির বৃক্ষ ও লতাগুল্ম, পাখি, সরীসৃপ, স্তন্যপায়ী ও উভচর প্রাণীর উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নদী-খালেও রয়েছে বিপুলসংখ্যক মাছের প্রজাতি।

 

কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া, দূষণ, অবৈধ শিকার, বিষ প্রয়োগ এবং মানুষের অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে এই জীববৈচিত্র্য ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে।

 

বাংলাদেশ অংশে প্রায় ছয় হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সুন্দরবনের একটি বড় অংশই জলভাগ। এই নদী-খালগুলো মাছ, কাঁকড়া, ডলফিনসহ অসংখ্য জলজ প্রাণীর আবাস।

 

জাহাজ চলাচলের সময় প্রপেলারের আঘাত, অতিরিক্ত শব্দ ও আলোও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

সুন্দরবন মানেই উপকূলের রক্ষাকবচ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরীর ভাষায়, “সুন্দরবন না বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে না”— এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

 

ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, আম্পানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুন্দরবন উপকূলীয় জনপদকে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে রক্ষা করেছে। শক্তিশালী ম্যানগ্রোভ বেষ্টনী ঝড়ের গতি ও জলোচ্ছ্বাসের অভিঘাত কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

সুন্দরবন হারিয়ে গেলে উপকূলের মানুষ আরও সরাসরি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতের মুখে পড়বে।

 

লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে সুন্দরবন

সুন্দরবনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি বিশাল জীবিকা-অর্থনীতি। জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল, কাঁকড়া আহরণকারী, নৌযান শ্রমিক, মাছ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পর্যটননির্ভর বহু মানুষ এই বনের ওপর নির্ভরশীল।

 

সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় অনেক পরিবার বিকল্প জীবিকা হিসেবে বনের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

 

ফলে বনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন প্রতিটি কর্মকাণ্ডের প্রভাব শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ছে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকায়।

 

শুধু সুন্দরবন দিবসে ভালোবাসা নয়, দরকার সারা বছরের সুরক্ষা

সুন্দরবন রক্ষায় প্রতিবছর ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস পালিত হয়। মোংলায় আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও বিশেষজ্ঞ, পরিবেশকর্মী, বনজীবী ও স্থানীয়রা সুন্দরবন রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

 

বক্তাদের দাবি, ১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয়ভাবে সুন্দরবন দিবস ঘোষণা করার পাশাপাশি বন রক্ষায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।

 

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) মোংলা অঞ্চলের আহ্বায়ক মো. নূর আলম শেখের মতে, সুন্দরবনের ভেতরে দখল, ঘরবাড়ি ও নানা স্থাপনা নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং নদীভাঙন—সবকিছু মিলিয়ে বনটি সংকুচিত হচ্ছে। তাই সুন্দরবন রক্ষায় সরকারকে কঠোর নীতি গ্রহণ করতে হবে।

 

এখনই সিদ্ধান্ত না নিলে ভবিষ্যৎ আরও ভয়াবহ

সুন্দরবনের সংকট কোনো একক কারণে তৈরি হয়নি। জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা, নদীভাঙন, দূষণ, অবৈধ মাছ শিকার, বন্যপ্রাণী নিধন, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন—সবগুলো কারণ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, সুন্দরবন রক্ষায় কয়েকটি বিষয়ে এখনই কঠোর হতে হবে—অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ, বন্যপ্রাণী শিকার রোধ, নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত, শিল্পায়নে পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনা, লবণাক্ততা মোকাবিলায় মিঠা পানির প্রবাহ বাড়ানো এবং বনজীবীদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করা।

 

সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তারাও মনে করেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে বনকে ভালোবাসার কথা বললে হবে না; প্রতিদিনের কর্মকাণ্ডে সুন্দরবনের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে।

 

কারণ সুন্দরবন শুধু বাঘ, হরিণ, ডলফিন কিংবা সুন্দরী গাছের আবাস নয়। এটি উপকূলের মানুষের নিরাপত্তা, জীবিকা, অর্থনীতি ও ভবিষ্যতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

 

সুন্দরবন দুর্বল হলে দুর্বল হবে উপকূল। সুন্দরবন হারালে হারাবে জীববৈচিত্র্য, জীবিকা ও প্রাকৃতিক সুরক্ষা। তাই প্রশ্ন এখন একটাই—আমরা কি সুন্দরবনকে রক্ষা করব, নাকি চোখের সামনে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে দেখব আমাদের এই অনন্য প্রাকৃতিক ঢালকে?

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31