সিলেট ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:১২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হবে। তবে বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট থেকে বিকেল ৩টায় ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াটে উঠতে পারে। বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এরপর সন্ধ্যায় কিছুটা কমলেও রাতে আবার বাড়তে পারে লোডশেডিং। সন্ধ্যা ৬টায় ২২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। রাত ৮টায় ২৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।
তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, রাত ৯টায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। এ সময় উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। রাত ১০টায় চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।
পিজিসিবি বলছে, সন্ধ্যার পিক সময়ে সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হতে পারে ঢাকা অঞ্চলে ৬৯৮ মেগাওয়াট। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৯০, কুমিল্লায় ৩১৫, ময়মনসিংহে ৩৫০, সিলেটে ১৫০, খুলনায় ৩৫০, বরিশালে ১০০, রাজশাহীতে ৩০০ এবং রংপুরে ২৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
অঞ্চলভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলে ৩৫০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিং হতে পারে। এরপর ঢাকায় ৬৯৮, কুমিল্লায় ৩১৫ এবং রাজশাহীতে ৩০০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।