সিলেট ১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৪৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
ওসমানীনগর প্রতিনিধি::
গ্রাহকদের আমানত ও স্বার্থ সুরক্ষা, উন্নত গ্রাহকসেবা এবং দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধের মাধ্যমে দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক সাফল্য ও গ্রাহকসেবার অগ্রগতি তুলে ধরতে সিলেটের ওসমানীনগরে উন্নয়ন সভা, পুরস্কার বিতরণ ও বীমা দাবি পরিশোধ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে উপজেলার তাজপুরস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এরিয়া প্রধান মাজহারুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মনিটরিং ইনচার্জ এ এস এম সাজ্জাদুর রহমান, গোয়ালাবাজার জোন প্রধান আব্দুল মোমিন, শেরপুর সহকারী জোন প্রধান জাবিরুন নেছা এবং তাজপুর সহকারী জোন প্রধান সুমা বেগম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তাজপুর সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ শামীমা বেগম। শেরপুর সাংগঠনিক অফিসের এজিএম আলা মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য দেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির অফিসার ইনচার্জ শামীমা বেগম, রিমা বেগম, নাজমা, শাহেনা, মিনা বেগম, সাজনা বেগম, আনহার মিয়া, রেহানা বেগম, শাহানা বেগম ও জাফর কুমার দেব।
বক্তারা আরও বলেন, ব্যাংকিং ও জীবনবীমা—দুটিই মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যাংকের মাধ্যমে সঞ্চয় ও আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি জীবনবীমা দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সুরক্ষা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় সহায়ক। তাই গ্রাহকদের প্রয়োজন ও সামর্থ্য বিবেচনা করে সঠিক বীমা পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, বীমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে মৃত্যু দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি ও প্রাপ্য অর্থ যথাসময়ে গ্রাহক বা নমিনির কাছে পৌঁছে দেওয়া হলে বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
তারা বলেন, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে গ্রাহকসেবা আরও আধুনিক ও সহজ করার পাশাপাশি বীমার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও গ্রাহকের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে অনুষ্ঠানে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, কারী আশরাফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন গ্রাহক ও কর্মকর্তাকে পুরস্কার ও উপহার প্রদান করা হয়। এর মধ্যে এজিএম শামীমা বেগমকে একটি নতুন ফ্রিজ, এফএ মুতিউর রহমানকে একটি ফ্রিজ, তানিয়া বেগমকে একটি নতুন টেলিভিশন এবং রিয়া আক্তার রানাকে একটি ফ্যান উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
এ সময় বীমা দাবি পরিশোধের অংশ হিসেবে মৃত্যু দাবির চেক হস্তান্তর করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। মৃত্যু দাবির অর্থ গ্রহণ করেন নমিনি তানিয়া বেগমের পিতা সুনা মিয়া।

| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | |
| 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 |
| 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 |
| 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 |
| 28 | 29 | 30 | ||||