সিলেট ১৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৪৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
গোপালগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে চার আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী এবং ঝন্টু শেখ।
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মিন্টু শেখ, কেনাই মোল্লা, আলীমুজ্জামান বিটু এবং প্রিন্স খাঁ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ইকবাল খাঁ, টুটুল শেখ, রনি শেখ, আক্রাম আলী, হাবিল কাজী, বুলগান কাজী, সজিব শেখ, পনির শেখ, সিহাব শেখ, রাশেদ শেখ ওরফে রাশেদ খাঁ এবং শওকত শেখ।
রায়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এম শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘আশা করছি, উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে।’
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গার মা মটর্সের সামনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি। প্রচারণা শেষে শহরের মৌলভীপাড়ার বাসায় ফিরছিলেন তার ভাই। মৌলভীপাড়ায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে দুই পা ও এক হাত ভেঙে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে বাসুর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর থানায় বাসুর ছোট ভাই জাসু শেখ মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১২ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাপগঞ্জ সদর থানার এসআই হযরত আলী ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।
২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এ পাঠানো হয়।
দুই আসামি শিশু হওয়ায় তাদের বিচার গোপালগঞ্জে শিশু আদালতে চলছে। আর এক আসামি বিচার চলাকালে মারা গেছেন। মামলার বিচার চলাকালে ২৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।