সিলেট ৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২৬
স্পোর্টস ডেস্ক ::
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে এবার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে ব্রাজিল। তবে জাপানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। গ্রুপপর্বে দারুণ পারফরম্যান্সের পর নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় দলটি।
এর আগে গ্রুপ পর্বে ধীরে ধীরে নিজেদের ছন্দে ফিরেছিল ব্রাজিল। মরক্কোর সঙ্গে সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচের পর হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে জয় পায় দলটি। এই ফল শুধু আত্মবিশ্বাসই বাড়ায়নি, দলের পারস্পরিক বোঝাপড়াও আরও শক্তিশালী করেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে যে একাদশ মাঠে নেমেছিল, আনচেলত্তি সেই দলটির ওপরই আস্থা রাখতে পারেন। তবে একটি বড় পরিবর্তন থাকছে—পেশির চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় রাফিনিয়া এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না।
আবারও নজর থাকবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দিকে। এবারের বিশ্বকাপে ৪ গোল ও একটি সহায়ক পাস করে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন তিনি। আক্রমণভাগে তার সঙ্গে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে মাতেউস কুনিয়া ও তরুণ ফুটবলার রায়ানের।
মাঝমাঠে দলের ভারসাম্য ও সৃজনশীলতা ধরে রাখার দায়িত্বে থাকবেন কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস এবং লুকাস পাকেতা।
সম্ভাব্য একাদশে থাকতে পারেন গোলরক্ষক আলিসন; রক্ষণভাগে দানিলো, মারকিনিয়োস, গাব্রিয়েল মাগালহায়েস ও দগলাস সান্তোস; মাঝমাঠে কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস ও লুকাস পাকেতা; এবং আক্রমণভাগে রায়ান, মাতেউস কুনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
যদিও ম্যাচে এগিয়ে রাখা হচ্ছে ব্রাজিলকে, তবুও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিচ্ছে না দলটির কোচিং বিভাগ। তাদের বিশ্বাস, জাপান অত্যন্ত সংগঠিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ একটি দল, যারা দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
সে কারণে অনুশীলনে উচ্চচাপ সৃষ্টি, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং স্থির পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন আনচেলত্তি।
মারকিনিয়োস, আলিসন ও কাসেমিরোর অভিজ্ঞতার সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বিস্ফোরক প্রতিভা জাপানের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
পরবর্তী পর্বে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে ব্রাজিল এখন নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং গ্রুপপর্বের ইতিবাচক গতি ধরে রেখে আরও একটি দীর্ঘ পথচলার স্বপ্ন দেখছে।