যুক্তরাজ্যের অডিটে বাংলাদেশের সেরা বিমানবন্দর ওসমানী

প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

যুক্তরাজ্যের অডিটে বাংলাদেশের সেরা বিমানবন্দর ওসমানী

লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::

 

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এভিয়েশন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য দেখিয়েছে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেরও উপরে অবস্থান ওসমানীর।

 

যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি) সাম্প্রতি এই নিরাপত্তা অডিট প্রকাশ বরে। এতে, দেখা যায়, দেশের দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় উন্নতি হয়েছে। তবে শীর্ষে অবস্থান ওসমানী বিমানবন্দরের।

মূল্যায়নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৪ শতাংশ এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৮ শতাংশ স্কোর পেয়েছে।

 

রোববার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

 

বেবিচব’র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যগামী যাত্রী ও কার্গোর নিরাপত্তাব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে পরিচালিত ডিএফটির নিরীক্ষায় শাহজালাল ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী, কার্গো ও ডাক পরিবহনের নিরাপত্তাসহ বিমান চলাচলের নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের ফলাফল তুলনা করে বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থায় ধারাবাহিক উন্নতির চিত্র পাওয়া গেছে।

 

এর আগে ২০২৫ সালের ডিএফটি মূল্যায়নে শাহজালাল বিমানবন্দরের স্কোর ছিল ৯৩ শতাংশ এবং ওসমানী বিমানবন্দরের ছিল ৯৪ শতাংশ। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে শাহজালালের স্কোর ১ শতাংশ এবং ওসমানীর স্কোর ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যগামী যাত্রী, কার্গো ও মেইলের নিরাপত্তা সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত এই অডিটে কার্গো পরিবহন নিরাপত্তায় বাংলাদেশ শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জনের ফলে ২০১৭ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপিত ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) সংক্রান্ত অতিরিক্ত নিরাপত্তা শর্ত ও বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে।

 

এছাড়া আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) অডিটের আগে এই অর্জন বেবিচক ও বিমানবন্দরগুলোর জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে।

 

এ সাফল্যের বিষয়ে বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল বলেন, ‘বেবিচকের এভিয়েশন সিকিউরিটি ডিভিশন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত প্রচেষ্টাতেই এই বড় অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেবিচক চেয়ারম্যানের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা এই সফলতার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930