সিলেট |
প্রকাশিত: 8:45 PM, May 21, 2021
বুলবুল আহমদ/নবীগঞ্জঃঃ
সিলেট- ঢাকা মহাসড়কের হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও শেরপুরের মধ্যবর্তী গড়ে ওঠেছে শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল। সিলেট বিভাগের ৪ জেলায় শিল্পায়নের ছোঁয়া লাগাতে মধ্যমণি শেরপুরকে বেছে নিয়েছে বেজা। দেশের খ্যাতিমান শিল্প গ্রুপ ডিবিএল এখানে (শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল) ১৭০ একর ভূমি ক্রয় করে গড়ে তোলছে ডিবিএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক।
এর অবকাঠামো কার্যক্রমের প্রাক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন গতকাল ২০ মে বৃহস্পতিবার ওই গ্রুপ অব কোম্পানির ৩ কর্ণধারসহ অন্তত ২৫ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল। তাদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শেরপুর এন্টারপ্রাইজের ৩ বিশেষ ব্যক্তি।
সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০১২ সালে শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর ও ব্রাহ্মণগ্রাম মৌজার ৩৫২ একর ভূমি অধিগ্রহণ করে। নির্মাণাধীন ডিবিএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বেজা’র অধিগ্রহণকৃত ভূমির মধ্যে থেকে ১৭০ একর ভূমি ক্রয় করে ডিবিএল গ্রুপ। এতে তারা ৬টি কোম্পানির নির্মাণ করে গড়ে তোলবে ডিবিএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক। প্রথম পর্যায়ে ডিবিএল স্পীনিং মিল ও টেক্সটাইল কোম্পানি নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে।
অন্যদিকে, ডিবিএল স্পীনিং ও টেক্সটাইল কোম্পানির অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম আগামী জুলাই মাসের শেষ কিংবা আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু করা হবে বলে জানান ডিবিএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের প্রকল্প ম্যানেজার পঙ্কজ দেব নাথ। ডিবিএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের প্রাক প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরির্দশনে গতকাল বৃহস্পতিবার আসেন ডিবিএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, তাদের নিকটাত্মীয় বাদশা টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড এর মালিক বাদশা মিয়া, আর্কিটেক্ট মি বাপ্পীসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাবৃন্দ। তাঁরা সকাল ১১টা থেকে মধ্যহ্ন ভোজনের আগ পর্যন্ত তাদের মালিকানাধীন এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখেন।
ডিবিএল গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ বিশেষ ব্যক্তিবর্গ শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলে পদাপর্ণের পরপরই তাঁদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন সাংবাদিক নূরুল ইসলাম, স্থানীয় ঠিকাদার অলিউর রহমান ও ইমরান হোসেন। ডিবিএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলে অতি শীঘ্রই ডিবিএল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের দু’টি কোম্পানির অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। পর্যায়ক্রমে অপর কোম্পানিগুলোরও কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা চলছে।