সিলেট ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৩৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২৬
প্রতিনিধি/ওসমানীনগরঃঃ
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার জামেয়া হুসাইনিয়া মদিনাতুল উলূম গাভুরটেকি মাদরাসায় মুমতাজ ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরুষ্কার ও অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। ১৪৪৭ হি./২০২৬ ইং শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বোর্ড পরিক্ষায় মুমতাজ (এপ্লাস) ও মেধাস্থানপ্রাপ্ত ৬৫ জনসহ মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষায় মুমতাজ (A+) ৪০ জন শিক্ষার্থীসহ সর্বমোট ১০৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরস্কার স্বরূপ ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা ও সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে মাদরাসা হল রুমে পুরুষ্কার ও অর্থ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সিলেট দরগাহ শাহ জালাল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আসজদ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মুহতাসিম বিল্লাহ জালালী , অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মাদরাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা আফজাল হুসাইন।
মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি মামুনুর রশিদ ও মাওলানা মঈনুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বক্তারা বলেন, একজন তালিবে ইলম শুধু ভালো ফলাফল অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং কুরআন ও সুন্নাহের আদর্শে নিজেকে রাঙিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত করে।
জামেয়া হুসাইনিয়া মদিনাতুল উলূম গাভুরটিকি মাদরাসা দীর্ঘদিন ধরে সেই আলোকিত আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও সততার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও বড় সাফল্যের দিকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তারা।
বক্তারা আরো বলেন, আজকে যারা তোমরা পুরস্কার পেয়েছ সেটা তোমাদের মেধা ও পরিশ্রমের ফলাফল, ভবিষ্যতে সেটাকে ধরে রাখতে হবে। আর যারা পুরস্কার পাওনি, তারা আজকের এই অনুষ্ঠান থেকে উৎসাহ নিয়ে সামনের দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবে।
সভায় মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম মাওলানা শাহ আলম এর ভূয়সী প্রশংসা করে বক্তারা বলেন, মাদরাসার “প্রতিষ্ঠাতা মোহতামিম মাওলানা শাহ আলম দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে এ অঞ্চলে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তাঁর আন্তরিকতা, ত্যাগ ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই আজ জামেয়া হুসাইনিয়া মদিনাতুল উলূম গাভুরটেকি মাদরাসা একটি দেশ-বিদেশে সুপরিচিত ও মর্যাদাপূর্ণ দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার সম্মানিত ওস্তাদ, অভিভাবকবৃন্দ মাওলানা আব্দুল রাজ্জাকসহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, মাদ্রাসার কমিটির সদস্যসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।