সিলেট ১২ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় আগুনে পাঁচজন দগ্ধের মধ্যে গৃহকর্তা কালামের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। এ ঘটনায় তার পরিবারের চার সদস্য এখনও চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
কালামের (৩৫) শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। একই হাসপাতালে তার স্ত্রী সায়মা (৩২), ছেলে মুন্না (৭) এবং দুই মেয়ে কথা (৭) ও মুন্নি (১০) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০, কথার ৫২ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়েছে বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।
গতকাল রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে ৩ শিশু সন্তানসহ দগ্ধ হন এ দম্পতি। পরে পাঁচজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
তাদেরকে ‘আশঙ্কাজনক’ অবস্থায় হাসাপতালে আনা হয় বলে জানিয়েছিলেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।
কালাম পেশায় সবজি বিক্রেতা, তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
এদিকে, সোমবার সকালেও ফতুল্লার একটি বাসায় বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধরা হলেন আব্দুল কাদের (৫০) ও তার তিন ছেলে মেহেদি (১৭), সাকিব (১৬) ও তার জমজ ভাই রাকিব (১৬)। আব্দুল কাদের অটোরিকশা চালক। তার ছেলে মেহেদি হালিম বিক্রেতা, সাকিব একটি কারখানায় কাজ করে এবং রাকিব চটপটি বিক্রি করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলায়।