সিলেট ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
সরকারি চাকরি জনগণের সেবা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘সরকারি চাকরি শুধু একটি পেশা নয়; এটি জনগণের সেবা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একজন কর্মকর্তা তার কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে তা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে আইন ও বিচার বিভাগের আয়োজনে সম্প্রতি পদোন্নতিপ্রাপ্ত এবং অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়া কর্মকর্তাদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘একটি মন্ত্রণালয়ের সফলতা শুধু মন্ত্রী, সচিব বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একার ওপর নির্ভর করে না; প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেই একটি মন্ত্রণালয় সফলভাবে পরিচালিত হতে পারে। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। একজন কর্মচারী যিনি মন্ত্রীর জন্য চা পরিবেশন করেন বা তার দরজা খুলে দেন, তিনিও নিজ নিজ জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রমে তার অবদান থাকে। তাই প্রত্যেকের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি থাকা প্রয়োজন।’
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পদোন্নতি কর্মকর্তাদের জন্য যেমন আনন্দ ও গৌরবের বিষয়, তেমনি এর সঙ্গে দায়িত্বও বেড়ে যায়। নতুন পদে কর্মকর্তাদের আরও বেশি নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আইন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়া কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তাদের কর্মনিষ্ঠা ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মকর্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’
অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম, অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েসসহ বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়া কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।