সিলেট ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৪৪ অপরাহ্ণ, মে ১২, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল হাসপাতালটি। কিন্তু যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ভবনটি নির্মাণ হয়নি। তাই হাসপাতাল ভবন নির্মাণের পর এর দায়িত্ব নিতে যায়নি সরকারের কোন বিভাগ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দেয় গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে নির্মিত এ হাসপাতাল সম্পর্কে তারা কিছুই জানে না। মন্ত্রনালয়কে অবগত না করে ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে নির্মাণ করায় হাসপাতালটির দায়িত্ব তারা নিবে না। ফলে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের পাশে নির্মিত আড়াইশ’ শয্যার জেলা হাসপাতালটি পড়ে আছে অব্যবহৃতভাবে।
সিলেটের ‘বেওয়ারিশ’ এই হাসপাতালটির দিকে এবার নজর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২ মে সিলেট সফরে এসে তিনি সিলেট জেলা হাসপাতালটি চালুর আশ্বাস দিয়েছিলেন। এবার তিনি হাসপাতালটি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।
সিলেট জেলা হাসপাতাল অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার সংবাদ দেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের সিলেট জেলা হাসপাতলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ৬টি হাসপাতাল দ্রুত পরিদর্শন করে চালুর নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আগামী ২ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।