সিলেট ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৪৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
রাজধানীর বনানী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নিয়ে সবগুলো মামলায় জামিন হওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে দাবি করেছেন আইনজীবীরা। একই সঙ্গে এই মামলায় কেন তাকে নিয়মিত জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।
আজ সোমবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু ও আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সায়লা শাজনীন শান্তা।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়, যার ফলে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়। অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর কয়েক দফায় তাকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।
এরপর ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে গত বছরের ২৪ জুলাই সকালে ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ওইদিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
তাকে মোট নয়টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সবশেষ মামলায় জামিন পেলেন তিনি। এখন তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না বলে দাবি করেছেন আইনজীবীরা।