সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক পরিণত হয়েছে ম/র/ণ ফাঁ/দে

প্রকাশিত: ২:৪০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২৬

সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক পরিণত হয়েছে ম/র/ণ ফাঁ/দে

লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::

 

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক। কিন্তু নানা কারণে এই মহাসড়কটি পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। প্রায় প্রতিদিনই মহাসড়কটিতে ঘটছে দুর্ঘটনা। ঘটছে হতাহতের ঘটনা। চলতি বছরে মহাসড়কটিতে ২৮টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ জন। নিরাপদ সড়ক চাই -নিসচার পরিসংখ্যান থেকে পাওয়া গেছে এ তথ্য।

 

সড়ক ও জনপথ (সওজ), হাইওয়ে পুলিশ ও নিসচার সাথে আলাপ করে জানা গেছে, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনার জন্য যেসব কারণ দায়ি এর মধ্যে পাঁচটি অন্যতম। এগুলো হচ্ছে- বেপরোয়া গতি ও ওভারটেকিং, চালকের ক্লান্তি ও ঘুম, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, অপ্রশস্ত ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক ও ছয়লেন কাজে দীর্ঘসূত্রিতা এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা।

 

জানা গেছে, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ছয়লেনের কাজ চলছে ধীরগতিতে। ফলে স্থানে স্থানে সৃষ্টি হয় যানজট। এতে সিলেট-ঢাকা ৬ ঘন্টার গন্তব্যে পৌঁছাতে এখন সময় লাগে ৮-১২ ঘন্টা। এতে চালকদের প্রায় দ্বিগুণ সময় গাড়ি চালাতে হয়। রাতে ছেড়ে আসা গাড়িগুলো সিলেট পৌঁছানোর আগেই অনেক চালকের চোখে ঘুম ঘুমভাব চলে আসে। আবার যানজটে সময় বেশি লাগায় মহাসড়কের সিলেট অংশে আসার পর চালকরা গতি বাড়িয়ে দেন। আগে পৌঁছাতে মহাসড়কে শুরু হয় প্রতিযোগিতা।

 

ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেক করতে গিয়ে ঘটে দুর্ঘটনা। গত শুক্রবার মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপনের দুর্ঘটনার ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী বেঙ্গল পরিবহনের স্লিপার বাসটি ঝুঁকিপূর্ণভাবে বেপরোয়া গতিতে ওভারটেক করছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা ইউনিক পরিবহনের বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ৯ জন নিহত হন।

 

সূত্র জানায়, এছাড়া মহাসড়কটিতে বেশ কয়েকটি ব্ল্যাকস্পট বা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। যেগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী অনেক বাস যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

 

সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বাশার মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন জানান, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যেসব দুর্ঘটনা ঘটে সেগুলোর বেশিরভাগই বেপরোয়া গতি ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকের জন্য ঘটে। মহাসড়কে কিছু ভাঙাচোরা থাকলেও সেগুলো নিয়মিত মেরামত করা হচ্ছে। যে কারনে সড়কের জন্য দুর্ঘটনার হার খুব কমই।

 

নিসচা সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মিশু জানান, দুর্ঘটনার জন্য চালকদের অসচেতনতা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি চালনাই বেশি দায়ি। চালকদের কাছে যাত্রীদের জীবনের মূল্য তুচ্ছ হয়ে গেছে। যে কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31