সিলেট ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৪২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করায় তিনি খুবই খুশি।
চুক্তিটিকে ‘সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আরও ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার সক্ষমতা অর্জন করবে।
গত ৭ আগস্ট তিন দেশের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যখন সংঘাতের পরিধি বাড়ছে, তখনই এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হলো। ইরানের মিত্র হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন হামলাও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় তিন দেশের যেকোনো একটি সদস্য আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে পারস্পরিক প্রতিরোধ সক্ষমতা বা ‘কলেক্টিভ ডিটারেন্স’ আরও শক্তিশালী করাই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য।
চুক্তিতে তিন দেশ তাদের যৌথ নিরাপত্তা আরও জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টায় অংশ নেওয়ার বিষয়েও তিন দেশ সম্মত হয়েছে। ফলে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোট শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চুক্তির ফলে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত নিরাপত্তা কাঠামোতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।