সিলেট ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৫৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন এখনও চূড়ান্তভাবে পাশ হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) আয়োজনে ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে গণমাধ্যমের প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
এসময়ডা. জাহেদ উর রহমান দেশের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপতথ্য বন্ধে মিডিয়া লিটারেসির প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।
ডা. জাহেদ বলেন, ‘এমন একটি সাইবার সুরক্ষা আইন প্রয়োজন, যা দেশের মানুষকে সুরক্ষা দেবে। একই সঙ্গে অনলাইনে অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া বন্ধেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে মিডিয়া লিটারেসি বা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।’
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন এখনও চূড়ান্তভাবে পাশ হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আইনটিতে পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।’
অনলাইনভিত্তিক নতুন ধরনের সাংবাদিকতা ও মনিটাইজেশনকে নীতিমালার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অনলাইনভিত্তিক সাংবাদিকতার নতুন নতুন ধরন তৈরি হওয়ায় এসব বিষয়কে নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে আনার প্রয়োজন রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘যদি গুজব, মিথ্যাচার ও অপতথ্য ছড়ানো হয়, তাহলে একই আইনি কাঠামো সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ হওয়া উচিত। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষ-বিপক্ষ বিবেচনা না করে একই কাঠামোর আওতায় ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’
এসময় নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘অতিরিক্ত সংকটে আছি। এর মধ্যে এই ধরনের আইন করার মধ্য দিয়ে আমাদের সংকটটা আরও তীব্র হবে, আমাদের হাত-পা আরও বাঁধা হবে। আমি মনে করি এ আইন করলে, যারা যে উদ্দেশ্যে এ আইনটা করতে চাচ্ছে, সেই উদ্দেশ্য সফল হবে না। এই অর্থে বলছি যে, তারা হয়তো সফল হবেন, তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হবে। এর ফলে আবারও একদলীয় শাসনের দিকে যেতে পারে।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘আপনাদের কনসার্ন নিশ্চয়ই সরকার বিবেচনায় নেবে। আমি নিজেও এটাকে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো, আমি এখানে উপস্থিত ছিলাম। আমি অনেককিছুর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে একমতও প্রকাশ করি। তবে তর্কের খাতিরে আবারও বলছি, যদি এটা হুবহু একইভাবে পাশ হয়ে যায়, তারপরও এই সরকার আগের সরকারের মতো করে এই আইন ব্যবহার করবে না।’