সিলেট ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:০৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
অবৈধ সম্পদের মামলায় সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের নিরাপত্তা শাখার সাবেক নিরাপত্তা অপারেটর হিরণ মিয়া এবং তার স্ত্রী রুনা লায়লাকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।
রায়ে হিরণ মিয়ার দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী রুনা লায়লার এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় ঘোষণা করেছেন।
এছাড়া রায়ে হিরণ মিয়ার এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং স্ত্রী রুনা লায়লার ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দিয়েছেন আদালত। যা দুদক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে হিরণ আদালতে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ারা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর রুনা লায়লা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়— ২০১৭ সালে দুদক হিরণ দম্পতিকে সম্পদের হিসাব দিতে নোটিশ দেয়। নোটিশ পেয়ে ১১ জুন তারা সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেন। দুদকে জমা দেয়া সম্পদের হিসাব বিবরণীতে হিরণ ২৩ লাখ ২ হাজার ৪৪৪ টাকার সম্পদ গোপন এবং ২ কোটি ৯১ লাখ ৯৫ হাজার ৪০৩ টাকার সম্পদের মধ্যে ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৪৩৩ টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করেন। আর রুনা লায়লা সম্পদের হিসাব বিবরণীতে ২১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৪ টাকার সম্পদ গোপন করেন ২ কোটি ৭৭ লাখ ৬৮ লাখ ৬৫৭ টাকার সম্পদের মধ্যে এক কোটি ১৫ লাখ ৯৬ হাজার ৬০ টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করেন।
এ অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক নাসির উদ্দিন ২০২৯ সালের ২৭ নভেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে কমিশনের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।২০২৪ সালের ১৯ মে আসামিদের বিরুদ্ধ চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।