সিলেট ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৩৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব অঞ্চলে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেসব এলাকায় সারের কোনো সংকট হয়নি। সার নিয়ে কোনো আন্দোলনও হয়নি। বরং জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতেই কৃত্রিম সার সংকট দেখা গিয়েছিল।
আজ বুধবার প্রথমবারের মতো কুড়িগ্রাম সফরে এসে জেলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
কুড়িগ্রামসহ সারাদেশে সারের সংকট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কুড়িগ্রাম জেলায় সারের সংকট নিয়ে বহু নিউজ আমরা দেখেছি। কিন্তু সারের সংকট যে সময় বলা হয়েছিল, সে সময় কোথাও কোনো সারের সংকট ছিল না। কৃত্রিম সার সংকট সৃষ্টির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে নিয়োগকৃত কিছু ডিলার যুক্ত ছিল।’
তিনি বলেন, ‘সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দুর্নীতি রোধে সরকার নতুন করে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে একজন করে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি দেশে সারের চাহিদার চেয়ে দেড় গুণ বেশি সার আমদানির প্রস্তুতিও সরকার ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে।’
সাংবাদিকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করা হবে। এই নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি সরকার নেবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা নিজেও স্বীকার করেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সমস্যা বিএনপি সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। তা সত্ত্বেও সাময়িক বিদ্যুৎ ঘাটতির জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হক চৌধুরী ডন এবং লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মমিনুল ইসলামসহ আরও অনেকে।