সিলেটের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পাশে বিদ্যা সিনহা মিম

প্রকাশিত: ৮:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২

সিলেটের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পাশে বিদ্যা সিনহা মিম
Spread the love

৩০ Views

বিনোদন ডেস্কঃঃ

গত মে-জুন মাসে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বন্যার কবলে পড়ে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের দেখতে সিলেট ছুটে গেলেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ইউনিসেফ বাংলাদেশের জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে এই সফর করছেন মিম। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে সংস্থাটি। প্রায় দুই মাসব্যাপী ভয়াবহ বন্যার ফলে খাদ্য, পানি ও স্যানিটেশন সংকটে ৩৫ লাখ শিশুসহ ৭২ লাখ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। বন্যাকবলিত এলাকায় শত শত স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বহু পরিবার বাধ্য হয় তাদের জিনিসপত্র ছেড়ে জরুরি আশ্রয় নিতে।

 

 

গোয়াইনঘাট উপজেলায় শিশুদের সঙ্গে কথা বলার পর বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, সিলেটে শিশু ও তাদের বাবা-মায়েদের কাছ থেকে যে গল্পগুলো শুনেছি, তা হৃদয়বিদারক। বন্যার কারণে তাদের জীবন ওলট-পালট হয়ে যাওয়ার মাঝেও তারা অবিশ্বাস্য রকমের দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমাদের অবশ্যই তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং তাদের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠায় সহায়তা করতে হবে। ১০ বছর বয়সী নাজিমুল মিমকে বলেন, প্রথমে যখন ঘরে পানি আসতে শুরু করে তখন আমি কিছুই বুঝতেছিলাম না। আমার জামাকাপড়, বই, ঘরের সব জিনিসপত্র পানিতে ভেসে যায়। আমাকে যদি স্কুলে (আশ্রয়কেন্দ্রে) না নিয়ে আসা হতো তাহলে আমিও ভেসে যেতাম। তিন-চারদিন দিন না খেয়ে ছিলাম। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পর সেখানে মুড়ি, চিড়া জাতীয় শুকনো খাবার দেওয়া হয়।

 

 

বন্যার পানি কমে যাওয়ার কয়েক মাস পরও লাখ লাখ পরিবার এখনো সেই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ইউনিসেফ জরুরি পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা, পুষ্টি সামগ্রী ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে এবং পানিতে ডুবে যাওয়া, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা, সহিংসতা ও নির্যাতন থেকে শিশুদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের জরুরি বন্যা মোকাবিলা কার্যক্রমে সহায়তা করে। এখন পর্যন্ত ইউনিসেফের অব্যাহত সহায়তা থেকে উপকৃত হয়েছে ১০ লাখের বেশি মানুষ, যাদের ৪০ শতাংশ শিশু।

 

 

দুই দিনের সফরে মিম সরাসরি দেখেছেন কীভাবে ইউনিসেফ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ল্যাট্রিন, পানি সংগ্রহ কেন্দ্র, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু ও পুনর্নিমাণে ভূমিকা রাখছে। মিম সমাজকর্মীদের সঙ্গেও দেখা করেন, যারা বন্যার পর শিশুদের ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করার অভিজ্ঞতা জানান। বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, মিমের সফর আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, পানি কমার পরও বাংলাদেশের শিশুরা বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিভিন্ন দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ইউনিসেফের জাতীয় শুভেচ্ছাদূত নিযুক্ত হওয়া মিম সিলেটের একটি চা বাগান এবং ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট একটি কিশোর-কিশোরী ক্লাবের শিশু-কিশোরদের সঙ্গে দেখা করেন।


Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Follow us

আর্কাইভ

October 2022
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31