সিলেট ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:১৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় হাইফাতে অবস্থিত ওই তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন লেগেছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফাতে অবস্থিত বাজান তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই আগুন লেগেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর শোধনাগার এলাকা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। জরুরি সেবা কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।
এর আগে গত ১৯ মার্চও একই স্থাপনাটি ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। ওই সময় ইরান তাদের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পাল্টা আঘাত হানে।
এদিকে ইসরায়েলে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে লেবানন। দেশটির প্রতিরোধ যোদ্ধা হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাঘাঁটি ও সেনাদের ওপর দফায় দফায় হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের ছয় সেনা আহত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের ছয়জন সেনা সদস্য বিভিন্ন হামলায় আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ৩টি পৃথক ঘটনায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।
বিবৃতিতে বলা হয়, আহতদের মধ্যে দুজন অ্যান্টি-ট্যাংক হামলায়, তিনজন ড্রোন হামলায় এবং একজন সামরিক অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় আহত হন।
এদিকে, হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও সেনাদের লক্ষ্য করে একাধিক রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের আল-আদাইসাহ শহরের খানুক এলাকায় সকাল ৮টা ১৫ মিনিট ও ৮টা ২০ মিনিটে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে দুটি রকেট হামলা চালানো হয়।
এছাড়া সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে কিরিয়াত শমোনা এবং ৬টা ৪০ মিনিটে আল মালিকিয়া এলাকায় ইসরায়েলি সেনা ও সামরিক যানবাহনের ওপর রকেট হামলা চালানো হয়। সকাল ৬টায় আভিভিম বসতিতেও আরেকটি হামলার দাবি করেছে তারা।
অন্যদিকে, ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে হাইফার দক্ষিণে অবস্থিত মিশমার আল কারমেল এলাকায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর হামলার কথাও জানানো হয়েছে।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |