সিলেট |
প্রকাশিত: 9:58 PM, April 7, 2026
প্রতিনিধি/ওসমানীনগরঃঃ
সিলেটের ওসমানীনগরে তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের অপসারিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কবির আহমদকে অপসারণের কারণ হিসাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সোমবার রাতে তাজপুর বাজারে একটি রেস্টুরেন্টে উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে কবির আহমদ বলেন, ২০২৪ সালে ৫ আগস্টের পর তাজপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান অরুনোদয় পাল ঝলক পাল বরখাস্ত হলে স্থানীয় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরবর্তীতে প্যানেল চেয়ারম্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিসিটিভি স্থাপনের বরাদ্দ যথাযথভাবে ব্যবহার না করে ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে প্রকল্প গ্রহণে তাকে মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে সম্মতি না দেওয়ায় তাকে চাপ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে ৬ লক্ষ ৫ হাজার টাকার চেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রদান করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
উল্যেখ্য: প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখা ও জনসেবা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক অফিস আদেশে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম তালুকদারকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি এবং প্যানেল চেয়ারম্যান পুনর্গঠন নিয়ে জটিলতা দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। এপরিস্থিতিতে পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় সরকার শাখার নির্দেশনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশা বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়! ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে তিনি এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করতে পারেন।