সুনামগঞ্জ ৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এমএ কাহার

প্রকাশিত: ১২:৫৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২৫

সুনামগঞ্জ ৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এমএ কাহার

প্রতিনিধি / জগন্নাথপুর ::

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন মোট ৭ জন প্রার্থী। তারা হলেন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা এমএ কাহার, ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, কয়ছর এম আহমদ, নাদির আহমদ, সাবেক মেজর সৈয়দ আলী আশফাক সামী, আবদুস ছাত্তার ও এমএ মালেক খান।

 

 

 

এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ। তা মেনে নিতে পারেননি অন্য প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে শুধু আবদুস ছাত্তার কয়ছর এম আহমদকে সমর্থন করেন এবং ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন। বাকি প্রার্থীরা এখনো হাল ছাড়েননি। তারা কেন্দ্রীয় বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছেন পুন:বিবেচনার আশায়।

 

 

 

তাদের মধ্যে অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী এমএ কাহার। তিনি এখনো বিএনপির চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি আশাবাদী দল পুন:বিবেচনা করলে তাকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে। এমন আশায় তিনি নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন এবং জনসমর্থন আদায়ে সভা, সমাবেশসহ গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

 

তাছাড়া এ আসনে পুন:বিবেচনার মাধ্যমে প্রার্থী বদল না হলে বিদ্রোহী প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েবেন দলীয় প্রার্থী কয়ছর এম আহমদ। কারণ হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকে জানান, এ অঞ্চলে বিএনপি এমনিতেই দুইভাগে বিভক্ত। কয়ছর এম আহমদ নিজ পছন্দের নেতাকর্মীদের দিয়ে কমিটি গঠন করা নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। এতে বঞ্চিত হন দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। যার প্রভাব নির্বাচনী মাঠে পড়বে।

 

 

 

এর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারনায় শুরু থেকে এমপি প্রার্থী এমএ কাহার, ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, নাদির আহমদ ও সাবেক মেজর সৈয়দ আলী আশফাক সামী সহ ৪ প্রার্থী এক সঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল তাদের মধ্যে যে কেউ দলীয় মনোনয়ন পেলে তারা একযোগে কাজ করবেন নির্বাচনী মাঠে। তা আর হয়নি। তারা কেউই দলীয় মনোনয়ন পাননি। এতে তারা ক্ষুব্দ হন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।

 

 

 

কারণ এবারের নির্বাচনে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা থেকে একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় তিনি সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন। ফলে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন দলীয় প্রার্থী কয়ছর এম আহমদ। আবার বিএনপির চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে এমএ কাহারকে যদি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়, তাহলে হয়তো স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন নির্বাচন থেকে সরেও দাঁড়াতে পারেন।

 

 

 

ফলে নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপির আর বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকার সম্ভাবনা বেশি। এতে অন্য দলের প্রার্থীদের সাথে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্ধিতায় আবারো সুবিধাজনক অবস্থানে ফিরে আসতে পারে বিএনপি। ২৫ নভেম্বর মঙ্গলবার নির্বাচনী আলোচনায় নাম প্রকাশ না করে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী এমন তথ্য তুলে ধরেন। এমন হলে বদলে যেতে পারে নির্বাচনী হালচাল।

Spread the love

আর্কাইভ

December 2025
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031