সিলেট ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:৩৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
নানা সমীকরণ আর নাটকিয়তার পর অবশেষে উৎসবের ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা দিনরাত সমান তালে চালিয়েছেন প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীদের সাথে প্রচারণা নামেন তাদের পরিবার ও দলের নেতাকর্মীরা।
প্রার্থীরা প্রচারণা চালানোর সময় ভোটারদের দিয়ে চমকময় প্রতিশ্রুতি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এবারের নির্বাচনে ভোটের লড়াই হবে বিএনপি আর জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে। অনেক আসনে বিএনপির প্রার্থীর সাথে লড়াই হবে জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সাথে। নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে উত্তাপ আর উৎকন্ঠা। শেষ তবে শেষ মূহুর্তে এসে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নির্বাচনের মাঠকে আরও সরগরম করে তুলে। তবে এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহ অনেকটা বেশী।
তবে সিলেট ও বিভাগের কয়েকটি আসনে জোট রাজনীতিই জামায়াতের জন্য বড় দুর্বলতা হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন দলটির নেতাকর্মী ও ভোটাররা। সম্ভাবনাময় আসনে নিজস্ব প্রার্থী না থাকায় ভোটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা কঠিন হচ্ছে। সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-বালাগঞ্জ-ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে জামায়াত দীর্ঘদিন প্রার্থী হিসেবে মাঠে রেখেছিল দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান আহমদকে। তবে জোটের সিদ্ধান্তে লোকমান আহমদ সরে দাঁড়ান এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দিন রাজুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা উৎসাহ পাচ্ছেন না বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনেও একই চিত্র। এখানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী (দেওয়াল ঘড়ি)। জোট হওয়ার আগে এই আসনে প্রচারণা চালিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান। জোটের স্বার্থে তাকে সরে দাঁড়াতে হয়। দলীয় গণ্ডির বাইরেও অধ্যাপক আব্দুল হান্নানের গ্রহণযোগ্যতা আছে। তবে মুনতাসির আলী তুলনামূলক দুর্বল অবস্থানে রয়েছেন।