সিলেট ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:২৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
শুক্রবার এই চুক্তি কার্যকর হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তিকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের নেতারা স্বাগত জানিয়েছেন। সোমবার মার্কিন বার্তাসংস্থা সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই পক্ষ শুক্রবার চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। এটি ফ্রান্সের ইভিয়ান-লে-বাঁ শহরের কাছে অনুষ্ঠিত জি সেভেন সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই সম্পন্ন হবে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পর সুইজারল্যান্ডে আরও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’
যুদ্ধ চলাকালে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখা কাতারের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সব পক্ষকে ইতিবাচক ও গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে, যাতে এই অগ্রগতি আরও শক্তিশালী হয়।’
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই অগ্রগতিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে স্বাগত জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘এটি সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ চুক্তির দ্রুত ও পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারে ফরাসি সমর্থনের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই কাঠামোগত চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘স্বাক্ষরের আগ পর্যন্ত উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন উসকানি, বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সম্ভাব্য নাশকতার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং সব পক্ষকে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।