সিলেট ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০২০
কামরুল হাসান নোমান/ জুড়ী
করোনা ভাইরাসের প্রভাবে নি¤œবিত্ত থেকে শুরু করে সকল স্তরের মানুষের কাজকর্ম বন্ধ। এ অবস্থায় অনেকের হাতে জমানো টাকা পয়সাও প্রায় শেষ। অচলাবস্থায় অনেকের ঘরে হাড়িতে রান্না করার মত কিছুই নেই। মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই দরিদ্র/হতদরিদ্র।
এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে কর্মহীন মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা প্রশাসন থেকে যে পরিমাণ ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে তাও অপর্যাপ্ত। এদিকে বিভিন্ন দূর্যোগে প্রবাসী অধূষ্যিত এই এলাকার মানুষের পাশে বেশিরভাগ সময়ই প্রবাসীরা এগিয়ে আসতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীরাও একই রকম দূর্ভোগে থাকায় তাঁদের থেকে তেমন একটা সহায়তাও পাচ্ছেন না এই এলাকার মানুষেরা। তাছাড়া প্রবাসী টাকার উপর নির্ভরশীলরাও বিপাকে পড়েছেন। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ৫টি ধাপে সরকারি বরাদ্দ সাড়ে ৩৬টন চাল, নগদ ২লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সুষ্টভাবে তা বন্ঠনও করছে। কিন্তু জনসংখ্যার চেয়ে ত্রাণ অপ্রতুল থাকায় ত্রাণের অভাব গোছানো যাচ্ছে না। অপরদিকে মহাবিপর্যয়ে পড়েছেন মধ্যবিত্তরা। কাজকর্ম বন্ধ থাকায় তাদের উপার্জন নেই। পরিবহন শ্রমিকেরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। এমতাবস্থায় অতন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করলেও মুখ ফোটে বলতেও পারছেন না। যত দিন গড়াচ্ছে তত তাদের কষ্ট পাহাড় সমান হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বনিক বলেন, জুড়ীতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মানুষকে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করছে। প্রবাসীরাও সময় সুযোগে সহযোগিতা দিচ্ছেন। তাছাড়া জুড়ীতে সরকারি বরাদ্ধ বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।