সিলেট ১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
অনেক সময় বড় ছুটির সুযোগ পেলেও ভিসা জটিলতার কারণে বিদেশ ভ্রমণ দুষ্কর হয়ে পড়ে। তবে বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য এশিয়ার কয়েকটি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। কিছু দেশে সরাসরি ভিসামুক্ত প্রবেশ করা যায়, আবার কিছু দেশে পৌঁছানোর পর নেওয়া যায় ভিসা অন অ্যারাইভাল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬ সালের জুলাই সংস্করণ অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুবিধা পান। সূচকে বাংলাদেশ তিন ধাপ এগিয়ে ৯৭তম অবস্থানে রয়েছে। একই অবস্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া।
এশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে মোট ছয়টি দেশে।
ভুটান
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি পরিবেশ ও শান্ত জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ভুটানে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন।
মালদ্বীপ
সমুদ্র, প্রবাল দ্বীপ ও বিলাসবহুল রিসোর্টের জন্য বিশ্বখ্যাত মালদ্বীপে বাংলাদেশিরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পান। অবকাশ যাপন ও হানিমুনের জন্য এটি অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য।
নেপাল
হিমালয়ঘেরা নেপালেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন। কাঠমান্ডু, পোখারা এবং এভারেস্ট অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।
শ্রীলঙ্কা
ঐতিহাসিক নিদর্শন, সমুদ্রসৈকত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশিদের জন্য সহজ ভ্রমণ সুবিধা রয়েছে। তবে যাত্রার আগে দেশটির সর্বশেষ ভিসানীতি যাচাই করে নেওয়া উচিত।
কম্বোডিয়া
বিশ্বখ্যাত আঙ্কোর ওয়াট মন্দিরের দেশ কম্বোডিয়াতেও বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল নিতে পারেন। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বে আগ্রহীদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
তিমুর-লেস্তে (ইস্ট তিমুর)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রেও বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা রয়েছে। শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে দেশটি ধীরে ধীরে পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
ভ্রমণের আগে যা জানা জরুরি
আগাম ভিসা ছাড় বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা থাকলেও ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ প্রবেশনীতি যাচাই করা প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে অন্তত ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, ফেরার টিকিট, হোটেল বুকিং, পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশ সফরের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করেই ভ্রমণ পরিকল্পনা করা সবচেয়ে নিরাপদ।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | |||||
| 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 |
| 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 |
| 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 | 23 |
| 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 | 30 |
| 31 | ||||||