সিলেট ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:১০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ভারতের উদ্দেশে বলেছেন, ‘কাজ করবেন শত্রুর, গালভরা বলবেন আমি বন্ধু, বাংলাদেশের মানুষ এত বোকা না।’
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটনে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ৩৬ জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘পাশের দেশ দাবি করে তারা আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। তাহলে বড় বন্ধু হলে বাংলাদেশের বড় কিলারকে আপনারা বুকে জায়গা দিয়েছেন কেন? শুধু জায়গা দেন নাই, আপনারা কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং দুই রাষ্ট্রের পারস্পারিক সম্পর্ককে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমরা তার নিন্দা জানাই।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘একটা সমাজ থেকে অপরাধীরা ভয়ংকর পরিণতি থেকে বাঁচার জন্য পালায়। আজকে পালিয়ে যাওয়ারা (আওয়ামী লীগ) উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছে, মাঝে মাঝেই গল্প শোনায়-এই বুঝি এসে গেল। যে মানুষ প্রতিদিন বলে, আমি আত্মহত্যা করবো-সে জীবনেও আত্মহত্যা করে না। আর যে বীর যুদ্ধের ময়দানে লড়ে যায়, সে বলে না যে আমি একজন বীর যোদ্ধা। বরং জাতি বলে যে, সে বীরযোদ্ধা। এত সাহস, তাহলে গেলেন কেন?’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তার (হাসিনা) ভাব এমন যে, আমি মক্কা যেতে চেয়েছিলাম, নিয়ে গেছে মস্কোয়। এখন তিনি বলেন, কই আমিতো গোপালগঞ্জ যেতে চেয়েছিলাম, এখানে কেন নিয়ে এসেছে। অথচ এখন সব কিছু বের হয়ে আসছে, তিন দিন পাশের দেশে একাধিক ফোন গেছে। তাদের কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে। তাহলে কি গোপালগঞ্জ যেতে ভারতের কাছে ফোন দিয়েছিলেন নাকি? জাতির সঙ্গে এই তামাশা তারা আর দেখতেও চায় না, শুনতেও চায় না।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এ দেশের ফ্যাসিবাদিদের বিদায় দেয়া হয়েছে, ফ্যাসিবাদে আক্রান্তরা বিদায় নিয়েছেন। আমরা নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। তবে ফ্যাসিবাদ একটা ভাইরাস। এটা কোন ব্যক্তি নয়, ব্যক্তির গায়ে বসে। এই ভাইরাস যাকেই পাবে, তাকে ফ্যাসিবাদী বানিয়ে ছাড়বে।’
তিনি বলেন, ‘যে সমস্ত কাজ-অপকর্ম করার কারণে ওই সরকারকে ফ্যাসিবাদি বলছি, আজকেও যদি একই কাজ করেন, নিঃসন্দেহে তারাও ফ্যাসিবাদ। যে কাজ অন্যের সন্তান করলে সন্ত্রাসী বলব, সেই কাজ আমার সন্তান করলে তাকেও বলতে হবে সন্ত্রাসী।’