মধ্যনগরে ইউনিয়ন বি এনপির সাবেক আহবায়কের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত: ৭:০৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০২৬

মধ্যনগরে ইউনিয়ন বি এনপির সাবেক আহবায়কের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ

প্রতিনিধি / সুনামগঞ্জ ::

 

সুনামগঞ্জের নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের পলমাটি গ্রামের কৃষক জাকির হোসেনের জমিতে রাতের অন্ধকারে গভীর গর্ত খুঁড়ে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বেকুর (খননযন্ত্র) মালিক ও ইউনিয়ন বি এন পির সাবেক আহবায়ক এবং ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা রাতের অন্ধকারে জমিতে গর্ত সৃষ্টি করে মাটি তুলেছেন এবং উত্তোলিত মাটি বিক্রি করেছেন।

 

ভুক্তভোগী কৃষক জাকির হোসেন মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, সুজন মেম্বারের নির্দেশে বেকু চালক হাবিবুর ও পাভেল তার জমিতে জোরপূর্বক রাতের অন্ধকারে মাটি কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিবাদ করায় তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন।

 

জাকির হোসেন বলেন, “আমরা চার ভাই বাড়িতে বসত ঘর বানানোর জায়গা কম এই জমি ভরাট করে ঘর নির্মাণ করে তাকতে হবে, সুজন মেম্বারের নির্দেশে হাবিবুর ও পাভেল আমাদের সর্বনাশ করেছে। তিনি বলেন প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করবো সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার করে অভিযুক্তদের দিয়ে আমার জমির এই গর্ত ভরাট করে দেয়ার জন্য।

 

 

স্থানীয় পলমাটি গ্রামের মাতাব্বর ফজলুর হক বলেন আমাদের গ্রামের আশেপাশে সুজন মেম্বারের কোন জমি নেই সে কি করে অন্যের জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে । একই গ্রামের কৃষক পাভেল মিয়া বলেন – সুজন মেম্বার, হাবিবুর ও তার মেয়ের জামাই পাভেল কারোই কোন জমি জাকির হোসেনের আশেপাশে নেই। তারা সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবেই জাকির হোসেনের জমি থেকে গর্ত খুঁড়ে মাটি নিয়ে গ্রামের অন্য লোকের কাছে বিক্রি করেছেন।

 

পলমাটি গ্রামের আমীন বা সার্বিয়ার আব্দুর রাশিদ বলেন, মাটি কাটা হয়ে এটা সত্যি, তবে কার নির্দেশে হয়েছে আমি জানি না, তদন্ত করলে জানা যাবে।

 

স্থানীয়রা জানান, প্রভাব কাটিয়ে কৃষকের জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করেছে যারা তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনা হউক।

 

অভিযুক্ত বিএনপির সাবেক ইউনিয়ন আহবায়ক ও ইউপি সদস্য সুজন মিয়ার ফোনে একাদিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন কেটে দেন।

 

মধ্যনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাইয়ুম মজনু বলেন, দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা বাজি বা বেআইনী কজ করলে তাঁর বিরুদ্ধে দলিয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার মাননীয় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল সাহেবের করা নির্দেশ কোন চাঁদা বাজ বা অবৈধ কাজের সাথে জরিত থাকলে তাকে দলথেকে বহিষ্কার করে দেওয়া।

 

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Spread the love