সিলেট ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:২৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ
জাতীয় নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হলেও দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় নির্বাচন আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজী ফতেহ মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন হবে। সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি যেন নির্বাচিত হয়ে আসেন, এখন থেকে সজাগ থাকতে হবে। এবারের নির্বাচন মনে রাখার মতো নির্বাচন হবে। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটা চ্যালেঞ্জের নির্বাচন ছিল। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। এখানে কোনো দলীয় মার্কা নেই। তার কারণে এটা আরও কঠিন হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি না থাকার কারণে আমরা পদে পদে বিপদে পড়ছি। ১৭-১৮ বছর এ প্রক্রিয়ার কারণেই তৃণমূল পর্যায়ে গ্রামীণ এলাকা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন। আমরা নির্বাচিত হয়েছি দুই মাস হয়েছে। দেশে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি খুব একটা নেই। এলাকার চেয়ারম্যান নেই, মেম্বার নেই। অনেকে পলাতক আছেন, অনেকের কাজ করার মতো সুযোগ নেই, কাজও হচ্ছে না। যারা আছে তাদেরকে আমরা সবাই সহযোগিতা করব।’
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এ্যানি বলেন, ‘দলের পক্ষে যিনি চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে চান, সেই ব্যক্তি যেন জনবান্ধব হন, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে কাজ করেন, কাজ করে এসেছেন, মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন এবং রাখবেন এ বিষয়গুলোর দিকে নজর রেখেই যেন তিনি প্রার্থী হন। দলের মধ্যে দুইজন তিনজন প্রার্থী হয়ে যাবেন, নির্বাচিত হতে পারবেন না। সুতরাং এটাও এখন মাথায় রাখতে হবে।
তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় নির্বাচন চলে আসবে, নির্বাচন হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে হালকা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কারণ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার আপনার ভাগ্য জড়িত। ওই লোকগুলো ভালো হলে আমাদের সবার অবস্থাও ভালো হবে। কোনো কারণে ওই লোকগুলো যদি কোনোভাবে ভালো না হয়ে নিজের জন্য হয়, আমরা বিপদে পড়ে যাব। তাহলে আমরা এখন থেকে সজাগ এবং সতর্ক থাকব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রীর একান্ত সচিব জামশেদ আলম রানা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপী ও দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার প্রমুখ।