সিলেট ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:৫৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০
লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ
করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জাপানের ইয়োকোহামায় আটকে রয়েছে প্রমোদতরী ‘ডায়মন্ড প্রিন্সেস’। শ নতুন করে এই জাহাজের ১৯ যাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করছেন চিকিৎসকরা। এতে কেবিন ক্রু বিনয়কুমার সরকারসহ ৪০ জন ভারতীয় কর্মীর দেশে ফেরা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। শনিবার জাহাজের ক্যাপ্টেনের তরফ থেকে এমন ঘোষণা আসে। বিনয়কুমার সরকার বলেন, ‘এদিন ক্যাপ্টেন কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার মা অসুস্থ। কিন্তু আমিও বাড়ি ফিরতে পারছি না। আমাদের হাতে কিছু নেই। সরকারের নিয়ম মেনে চলতে হবে।
ভারতীয় ওই কেবিন ক্রু জানান, ওই জাহাজের ৪০ জন ভারতীয় কর্মীকে দেশে ফেরাতে সংস্থার তরফে টিকিট করে দেওয়া হয়েছিল। সবাই তা হাতে পেয়েও গেছেন। কিন্তু আদৌও তারা এখন ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত হতে পারছেন না। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এদিন জাহাজে ঘোষণা করা হয়েছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যাত্রীদের দফায় দফায় মেডিকেল পরীক্ষা করা হবে। সন্দেহজনক কিছু না মিললে সেসব যাত্রীকে নিচে নামানো হবে। তবে কারও দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়লে জাপানেই তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কয়েক দিন সময় লাগবে।
ওই জাহাজে থাকা মার্কিন নাগরিকদের দেশে ফেরাতে বিমান পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান বিনয়কুমার। তিনি বলেন, সুস্থ যাত্রীরা সেই বিমানে আমেরিকায় ফিরতে পারবেন। তবে সেখানে তাদের ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। কিন্তু অন্য দেশের যাত্রী ও জাহাজের কর্মীরা কীভাবে, কখন নিজ নিজ দেশে ফিরতে পারবেন তা স্পষ্ট হয়নি। জাহাজে ২ হাজার ৬০০ জন যাত্রী, ১ হাজার ৪০ জন বিভিন্ন দেশের কর্মী রয়েছেন। এতে ৫৬টি দেশের যাত্রী রয়েছেন। যাত্রীদের বেশির ভাগই জাপান, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার। নাবিক-ক্রুদের মধ্যে ভারতের ১৬০ জন। এর মধ্যে ছয়জন পশ্চিমবঙ্গের।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | ||||
| 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 |
| 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 |
| 18 | 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 |
| 25 | 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 |