প্রতিনিধি / সুনামগঞ্জ ::
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ- ২০২৫ উদযাপন নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন মেলায় অংশগ্রহণকারী স্টল মালিকরা। ৩০টি স্টলের বিপরীতে সরকারি বরাদ্দ দুই লক্ষ টাকা মঞ্জুর হলেও মেলায় আগত ২৫টি স্টল মালিককে দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ১৪শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা করে।
অপরদিকে মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের দাবি “কর্তৃপক্ষ বলেছে স্টল সংখ্যা ছিল ৩০টি। অথচ সরজমিনে প্রতীয়মান হয় মাত্র ২৫টি।” স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরাও প্রত্যক্ষভাবে ৩০টি স্টলের সন্ধান পান।
এদিকে স্টল মালিক নছর মিয়া ১৪শ’ টাকা, সবুজ মিয়া ৫শ’ টাকা, আয়েশা ১৪শ” টাকা, সাইদুল ইসলাম ১৪শ’ টাকা পেয়েছেন বলে তারা জানান। সর্বোচ্চ ওই হারে প্রদান করা হলেও মোট বরাদ্দের সিংহভাগ অর্থই আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীসহ অভিজ্ঞজনরা।
সব মিলিয়ে অতিরিক্ত স্টল সংখ্যা দেখানো এবং বরাদ্দের তুলনায় অপ্রতুল টাকা প্রদানের কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তবে কাগজপত্রে এর সঠিক তথ্য দেখাতে না পারলেও বরাদ্দের কথা স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. এস. এম. এমদাদুল হক বলেন— “বরাদ্দ দুই লক্ষ টাকা। তবে আমি কাগজ দিতে পারবো না, রেজুলেশন করার পর কাগজ দেখাতে পারবো।” তার এই বক্তব্য বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিয়েও ঘাপলা আছে বলে প্রশ্ন ওঠেছে।
সরকারি বরাদ্দের অর্থের মালিক জনগণ। তাই স্টল সংখ্যা, বরাদ্দের তালিকা, খরচের বিবরণসহ সবকিছু প্রকাশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভাগীয় তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় অভিজ্ঞ মহল।