সিলেট |
প্রকাশিত: 6:16 PM, January 20, 2026
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাহাঙ্গীর আলমের নোয়াখালীর সদর উপজেলা ও চাটখিলের ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৪০ টাকার ৩৫ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে মিরপুরে ১৩৮৫ বর্গফুটের ৪১ লাখ ৮২ হাজার টাকার একটি ফ্ল্যাট জব্দ এবং তার স্ত্রী কামরুন নাহারের সাত ব্যাংক হিসাবে থাকা ১ কোটি ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৬৯ টাকা অবরুদ্ধের আদেশও দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপপলিটন সিনিয়র স্পেশালজজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দিয়েছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল জমি ও ফ্ল্যাট জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
জাহাঙ্গীর আলমের আবেদনে বলা হয়, তার নিজ নামে ১৮ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার ৮৮২ টাকার জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করায় এবং তিনি ও তার মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ ভোগ করার মানসে আটটি ব্যাংকের ২৩টি হিসাবে সর্বমোট ৬২৬ কোটি ৬৫ লাখ ১৮ হাজার ১০৭ টাকা জমা/ক্রেডিট ও জমা করা ওই অর্থ বিভিন্ন মাধ্যমে উত্তোলন বা স্থানান্তর করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় দুদক মামলা দায়ের করেছে।
মামলাটি তদন্তাধীন। জাহাঙ্গীর আলমের নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ হস্তান্তর/স্থানান্তর/দলিল সম্পাদন বা অন্য কোনো পন্থায় মালিকানা পরিবর্তন/হস্তান্তর সম্ভবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে জাহাঙ্গীর আলম নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদসমূহ জব্দ করা আবশ্যক।
কামরুন নাহারের আবেদনে বলা হয়, কামরুন নাহার তার নিজ নামে ৬ কোটি ৮০ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪২ টাকার জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করায় এবং তার কর্তৃক অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ ভোগ করার মানসে পেশায় একজন গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের সহায়তায় দুইটি ব্যাংকের মোট চার শাখার সাতটি হিসাবে সঞ্চয়ী ও ডিপিএস হিসাব খুলে সর্বমোট ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৩০ হাজার ৮৫৫ টাকা জমা/ক্রেডিট এবং জমা করা ওই অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর করায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে কামরুন নাহার ও জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্তাধীন। তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যাচ্ছে, কামরুন নাহারের নামীয় অর্জিত অস্থাবর সম্পদ (ব্যাংকিং হিসাবসমূহে বিদ্যমান স্থিতিসহ) হস্তান্তর/স্থানান্তর/দলিল সম্পাদন বা অন্য কোনো পন্থায় মালিকানা পরিবর্তন/হস্তান্তর সম্ভবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কামরুন নাহারের নামীয় অর্জিত এসব অস্থাবর সম্পদসমূহ অবরুদ্ধকরণ করা একান্ত আবশ্যক।