সিলেট ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সিএনজি, হাইয়েস ও বাসের চালকরা। গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করায় সড়কে সিএনজিচালিক অটোরিকশার সংকট বাড়ছে। অনেক চালক গ্যাসের আশায় রাতে পাম্পের পাশে নিজেদের পরিবহনেই ঘুমিয়ে পড়ছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ শহরের এ্যালবাট্রস এনার্জী সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিন সকালেও গ্যাসের জন্য পাম্পে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষায় ছিল বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। কেউ ২৪ ঘণ্টা, কেউ ২৭ ঘণ্টা আবার কেউ ২৮ ঘণ্টা ধরে গ্যাসের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানান চালকেরা।
এনায়েতপুর-বেলকুচি রোডে সিএনজিচালক বেল্লাল হোসেন হৃদয় বলেন, ‘গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের এ্যালবাট্রস এনার্জী সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এসে গ্যাস নেওয়ার জন্য সিরিয়াল দিয়েছি। কিন্তু বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এসেও গ্যাস পাইনি।’
তার ভাষ্যমতে, ‘২৪ ঘণ্টা ধরে গ্যাসের জন্য সিরিয়াল দিয়েছি, কিন্তু গ্যাস পাইনি। যারা দায়িত্বে আছে, তারা বলছে গ্যাস নাই, গ্যাস সরবরাহ আসলে দেওয়া হবে।’
রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া থেকে কাঠেরপুল রুটের সিএনজিচালাক আমজাদ হোসেন দুল্লা বলেন, ‘আমি ২৭ ঘণ্টা ধরে গ্যাসের জন্য আছি। আমার বাসা দূরে হওয়ায় রাতে সিএনজিতেই ঘুমিয়েছি, কিন্তু এখনো বলতে পারছি না গ্যাস দেবে কি না।’
একাধিক চালকদের মতে, তারা গতকাল ৩০ মিনিটের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিলেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
বাসচালক জহুরুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি গতকাল এসে সিরিয়াল দিয়েছি। এখনো গ্যাস পায়নি। রাতে বাসেই ঘুমিয়েছি। সকালেও গ্যাস নেই।’
এ্যালবাট্রস এনার্জী লিমিটেড সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ক্যাশ কাউন্টারে দায়িত্বরত মো. পলাশ বলেন, ‘গত ১২ আগস্ট সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে গ্যাস নই। সারাদেশে একই অবস্থা। গ্যাস সরবরাহ পেলে আমরা গ্যাস দিতে পারব।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন, ‘অতিদ্রুতই গ্যাস সংকট সমাধান হয়ে যাবে।’