সিলেট ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৫৩ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২১
লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ
ব্যাংকের ব্যক্তি মালিকানাধীন সকল প্রকার অ্যাকাউন্ট জাকাতযোগ্য। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নেসাবের মালিক হলেই তাকে ব্যাংকে গচ্ছিত টাকাগুলোর জাকাত প্রদান করতে হবে। চলতি হিসাব, সঞ্চয়ী হিসাব, দীর্ঘ মেয়াদী ও ডিপিএস হিসাবসহ সকল অ্যাকাউন্ট এ হুকুমের আওতাভুক্ত হবে। ব্যাংক হিসাবের স্ট্যাটমেন্ট দেখে জাকাত প্রদান করা যেতে পারে। জাকাতদাতার হিসাব-বর্ষের শেষে স্ট্যাটমেন্টে যত টাকা পাওয়া যাবে তার জাকাত সে প্রদান করবে।
কোনো এক অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি ট্যাক্স বা সার্ভিস চার্জ কাটা গেলে জাকাতের হিসাবে এ টাকা অন্তর্ভুক্ত হবে না। অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের জমাকৃত টাকা ছাড়া ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত যদি সুদ (বা মুনাফা নামের সুদ) জমা হয় তবে তা জাকাতযোগ্য নয়; বরং সুদ ও হারামের মাল হস্তগত হলে তা পুরোটাই সদকা করে দিতে হবে।
অবশ্য জাকাত দেওয়ার সাথে পুরো টাকার হিসাব করে নিলে এ নিয়ত করে নিবে যে সুদের অংশের ২.৫% জাকাত হিসাবে দিচ্ছে না; বরং ওই অংশের ২.৫% দায়িত্বমুক্তির জন্য আদায় করছে। এরপর যখন সে হারাম টাকা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করবে তখন জাকাতের সাথে প্রদানকৃত ২.৫% বাদ দিয়ে বাকিটা সদকা করতে হবে।