ওসমানীনগরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১১:৩৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২৬

ওসমানীনগরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার উত্তর তিলাপাড়া এলাকায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহিদুন নেছা সেনাক্যাম্প ওসমানীনগরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বুরুঙ্গাবাজার ইউনিয়নের পশ্চিম তিলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মহিদুন নেছা ও উত্তর তিলাপাড়ার কয়েকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে বিষয়টি আদালতে মামলা নং ১৮৪/২৫ হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।

 

অভিযোগে বলা হয়, গত ৩ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উত্তর তিলাপাড়ায় মহিদুন নেছার বসতবাড়িতে কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের চারপাশের পাকা দেয়াল ভেঙে ফেলে, যার ফলে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া ঘরে থাকা ১৫০ মন ধান, গোয়ালঘর থেকে ৪টি গাভী, ২টি ষাঁড় ও ৩টি বাছুর, বসতবাড়ির বিভিন্ন গাছ-বাঁশ এবং পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

 

ঘটনার সময় মহিদুন নেছার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় অভিযুক্তরা মহিদুন নেছা ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় মহিদুন নেছা বলেন, আমরা বর্তমানে খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমাদের জানমালের নিরাপত্তা নেই। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

 

এই বিষয়ে জানতে ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্য ওসি মুরশেদুল আলম ভূইয়ার সরকারি মোবাইল ফোনে কল দিলেও সাড়া মিলেনি।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031