সিলেট ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:২৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২৫
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
সিলেট মহানগরীর সোবহানীঘাটস্থ এক্সিম ব্যাংকের ব্রাঞ্চে এফডি আরের টাকা তুলতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন একজন নারী গ্রাহক। ভূক্তভোগী ওই নারী গ্রাহক ‘আরজে গ্রুপ লিমিটেড’ কোম্পানীর সত্ত্বাধিকারী।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে মহানগরীর এক্সিম ব্যাংকের সোবহানীঘাট ব্রাঞ্চে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ‘আরজে গ্রুপ লিমিটেড’ কোম্পানীর মালিকানাধীন মো. রোহান চৌধুরীর মায়ের একটি এফডি আর একাউন্ট ছিল মহানগরীর সোবহানীঘাটস্থ এক্সিম ব্যাংকের ব্রাঞ্চে। তিনি জমি বিক্রি করে একটি এফডি আর একাউন্ট করে সেখানে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা রাখেন। সম্প্রতি তার ছেলে মো. রোহান চৌধুরী উচ্চ শিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়া ভিসা পান। ভিসার টাকা ও বিমান ভাড়ার টাকা পরিশোধ করতে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে মহানগরীর সোবহানীঘাটস্থ এক্সিম ব্যাংকের ব্রাঞ্চে এফডি আর ভেঙে টাকা তুলতে যান তারা। এসময় ব্যাংকে থাকা কর্মকর্তারা টাকা দিতে অপারগতা স্বীকার করেন। তখন ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, মাসে মাসে তারা ১০ হাজার টাকা করে মো. রোহান চৌধুরী মাকে দিবেন। তারা সব টাকার প্রয়োজন উল্লেখ করে বলেন ১০ হাজার টাকা দিয়ে কি করবো। তখন মহিলা তার সমস্যার কথা তুলে ধরলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। এ সময় ভূক্তভোগী ওই পরিবারের লোকজন ও ব্যাংকে থাকা অন্যান্য গ্রাহকরা প্রতিবাদ করতে গেলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তখন ভূক্তভোগী ওই নারী ৯৯৯-এ কল দিলে সোবহানীঘাট ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‘আরজে গ্রুপ লিমিটেড’ কোম্পানীর মালিকানাধীন মো. রোহান চৌধুরী বলেন, ‘এক্সিম ব্যাংকের সোবহানীঘাট ব্রাঞ্চের কর্মকর্তাদের ব্যবহার অত্যান্ত খারাপ। তারা আমাদের টাকা আমাদেরকে দিতে তারা অস্বীকার করেন। তারা বলেন, মাসে মাসে তারা ১০ হাজার টাকা করে আমাদের দিবেন। আমার যেহেতু একসাথে সব টাকার প্রয়োজন সেহেতু আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কি করবো। আমরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে ব্যাংকে কর্তব্যরত কর্মকর্তারা আমাদের সাথে অত্যান্ত দুর্ব্যবহার করতে থাকেন। পরবর্তীতে পুলিশ আসলে ম্যানেজারের মাধ্যমে সমাধান হয়। কিন্তু তারা গ্রাহকের সাথে এইভাবে অসদাচরণ করতে পারে না।’
সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট এক্সিম ব্যাংকের ম্যানেজার মো. জুবায়ের আহমদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মাসুক জানান, ‘এক্সিম ব্যাংকের সোবহানীঘাট ব্রাঞ্চে এক মহিলার এফডি আরের টাকা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে। ভূক্তভোগী ওই নারী ৯৯৯-এ কল দিলে সোবহানীঘাট ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্তিতি শান্ত করে।’
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | ||||
| 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 |
| 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 |
| 18 | 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 |
| 25 | 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 |