সিলেট ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্য যুবদলের প্রচার সম্পাদক শিপন আহমদ।
যুক্তরাজ্য থেকে এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, গনতন্ত্র রক্ষা এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনস্বীকার্য অবদান রেখে গেছেন সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আন্দোলন সংগ্রামসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার,শান্তি প্রতিষ্ঠা, আর্থসামাজিক উন্নয়নে অদম্য সাহস, অবিস্মরণীয় ধৈর্য, অতুলনীয় ত্যাগ এবং নারী শিক্ষা ও নারী উন্নয়নে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপসমূহ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীর অগ্রযাত্রার পথিক। দেশের সংকটময় প্রতিটি মুহূর্তে তিনি ছিলেন জনগণের পাশে, ছিলেন বিএনপির শক্তি ও অনুপ্রেরণা। বারবার গৃহবন্দী, অসুস্থতা আর রাজনৈতিক নিপীড়ন তাঁকে দমাতে পারেনি।
তিরি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু ক্ষমতায় না থেকে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, জাতীয় ঐক্য এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদের জন্যই স্বর জোরালো করেছেন। তাঁর বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সংগ্রাম, জবাবদিহিতা, বিচার ও ইতিহাসকে কেন্দ্র করে এক গভীর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ। কঠোর সমালোচনা, ব্যক্তিগত প্রতিকূলতার অভিজ্ঞতা, রাষ্ট্র ও জনগণকে কেন্দ্র করে তাঁর মন্তব্যগুলো আজও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
আশির দশকে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। আপসহীন সংগ্রামের কারণে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এই দীর্ঘ আন্দোলনে তিনি সাত দলীয় জোট গঠন করেন এবং স্বৈরাচারের পতন না হওয়া পর্যন্ত কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার দৃঢ় ঘোষণা দেন। এই দীর্ঘ লড়াইয়ে তাকে ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতবার আটক ও গৃহবন্দী করা হয়েছিল।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অবিস্মরণীয় বেগম খালেদা জিয়ার চিরপ্রস্থান দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সকল মহলে এক শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কমনা ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি ।