সিলেট ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৫৪ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের হয়ে ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন দাস। তার সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রান করেছে টাইগাররা।
এরপর দিন শেষে ৬ ওভার ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২১ রান করে পাকিস্তান। আজান ওয়াইস ১৩ ও আব্দুল্লাহ ফজল ৮ রানে অপরাজিত আছেন। দলটি এখনও ২৫৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং পায় বাংলাদেশ। সকাল ১০টায় ম্যাচটি মাঠে গড়ায়। এই টেস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে অভিষেক হয় তানজিদ হাসান তামিমের।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বেশ বাজে হয় বাংলাদেশের। মোহাম্মদ আব্বাসের করা প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর অবশ্য জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অভিষিক্ত তানজিদ ও মুমিনুল। তারা ৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। তবে দুজনেই ইনিংস বড় করতে পারেননি। আব্বাসের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হওয়া তানজিদ ৩৪ বলে ২৬ রান করেন। আর খুররাম শাহজাদের বলে বোল্ড হওয়া মুমিনুল ৪১ বলে ২২ রান করেন।
জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। তবে লাঞ্চের পর দ্রুত ফেরেন শান্ত তিনি ৭৪ বলে ২৯ রান করে আব্বাসের শিকার হন। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুশফিকও। তিনি ৬৪ বলে ২৩ রান করে খুররামের বলে আউট হন। দুই ওভার পরে খুররাম মেহেদী হাসান মিরাজকেও বিদায় করেন।
সপ্তম উইকেট জুটিতে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়া শুরু করেন লিটন দাস। এই জুটি ১১৪ বলে ৬০ রান তোলে। যেখানে তাইজুল মাত্র ১৬ রান তুলতে পারেন। তিনি ৪০ বল খেলে সাজিদ খানের বলে বোল্ড হন।
লিটন এরপর তাসকিন আহমেদের সঙ্গে আরও ৩৮ রান তোলেন। যাতে তাসকিনের অবদান ৭। এ সময় লিটন ঝড়ো ব্যাট করা শুরু করেন। তাসকিন ৭ রান করে খুররামের চতুর্থ শিকার হন।
শরিফুল ইসলামকে নিয়ে পরের জুটিতে আরও দ্রুত রান তুলতে থাকেন লিটন। তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। তিনি এই ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়েও ১৩৫ বলে ১৩টি চার ও একটি ছক্কায় তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। শেষ পর্যন্ত লিটন ১৫৯ বলে ১৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২৬ করে হাসান আলীর বলে আউট হন। শরিফুলের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৭৩ বলে ৬৪ রান। তাইজুল ১৬ রান করে ফেরেন।
পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান খুররাম। আব্বাস ৩টি ও হাসান ২টি উইকেট দখল করেন।
সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।