জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা সঙ্কটে ন্যায়বিচারের আহবান

প্রকাশিত: 12:44 PM, February 15, 2020

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা সঙ্কটে ন্যায়বিচারের আহবান

লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এক আলোচনায় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্ব-প্রণোদিত প্রত্যাবাসন এবং কাঙ্খিত সামাজিক পূনর্মিলনের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।’ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ‘শান্তিবিনির্মাণ ও টেকসই শান্তি: সংঘাত ও সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতির ন্যায় বিচার’ শীর্ষক আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে রাষ্ট্রদূত এ মন্তব্য করেন। নিরাপত্তা পরিষদের চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের সভাপতি বেলজিয়াম এই উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন।

 

সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসা দেশগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিচার ব্যবস্থার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের পক্ষে রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নৃশংস অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। নিরাপত্তা পরিষদের ‘নারী শান্তি ও নিরাপত্তা’ এবং ‘যুব শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডাসমূহের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পূনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র সংঘাতকালে শিশু ও নারীদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং এর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের বহু-পাক্ষিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে সমর্থনদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

‘সংঘাত পরবর্তী পরিস্থিতি’ বিষয়টির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “যাতে কেউ অপরাধের দায়মুক্তি না পায় তা নিশ্চিত করা, অপরাধের দায়বদ্ধতা নিরূপণ করা এবং অতীত সংঘাত ও সহিংসতার দুষ্টু চক্র ভেঙ্গে ফেলা অত্যন্ত জরুরি।’ এক্ষেত্রে অসমতা, বৈষম্য, বর্জনসহ সমাজে সংঘাত ও সহিংসতা সৃষ্টি করতে পারে এমন মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা এবং তা প্রতিরোধে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম প্রধান সেন্য ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত-প্রবণ এলাকায় বাংলাদেশ যে অবদান রেখে চলেছে তা তুলে ধরেন স্থায়ী প্রতিনিধি।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031