সিলেট ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:১০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থান পাওয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্ত বাংলাদেশের জন্য গৌরব, আবেগ ও গণতান্ত্রিক মাইলফলক।
এই সম্মান দেশের সবার উল্লেখ করে আজ বৃহস্পতিবার এক বার্তায় উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সম্মাননা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের, যারা বিশ্বাস করে গণতন্ত্র অপরাজিত। জনতার শক্তি কখনো হার মানে না। আজকের এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি গণতন্ত্রের বিজয়, জনতার বিজয়, বাংলাদেশের বিজয়।’
মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান টাইম ১০০ মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল পিপল অব ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইম এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সীমাহীন সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, একটি কঠিন সময়ে, যখন গণতন্ত্র অবরুদ্ধ ছিল, মানুষের ভোটের অধিকার ছিল না, বাকস্বাধীনতা ছিল না, তখন তারেক রহমান দৃঢ়তা, সাহস এবং অটল বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে এসেছেন। তিনি নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি আশা জাগিয়েছেন, মানুষের কণ্ঠস্বরকে শক্তি দিয়েছেন, নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে কথা বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহু লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে আবারও গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা আজ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত। স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি যেদিন ফিরেছেন, সেদিনই তিনি বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’
তিনি আরও বলেন, একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমন্বিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচিত সরকার দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে চমৎকারভাবে অগ্রসর হয়েছে।
তিনি জানান, টাইম-এর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ লড়াই, সংগ্রাম এবং দেশ পরিচালনায় ক্যারিশম্যাটিক দক্ষতার এক শক্তিশালী স্বীকৃতি। তিনি প্রমাণ করেছেন- ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই একজন নেতার প্রকৃত শক্তি। দেশ পরিচালনাকে তিনি ক্ষমতা হিসেবে নয়, দায়িত্ব হিসেবে দেখতে চান।
বার্তায় দেশের স্বার্থে কোনো বিভাজন নয়, বরং ইস্পাত কঠিন দৃঢ় ঐক্যই একটি জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।