শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা-সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত

প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, মে ২৩, ২০২৬

শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা-সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত

লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কেবল একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক মুক্তির প্রকৃত অগ্রদূত।

আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ‘শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, শেরে বাংলার হাত ধরেই এই অঞ্চলের কৃষকরা জমিদারের শোষণ ও ঋণের জাল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।

এদিন তথ্যমন্ত্রী তার পারিবারিক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন, শেরে বাংলার নামের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমার গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে। আমার দাদা উত্তর বরিশাল কৃষক প্রজা পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও শেরে বাংলার ঘনিষ্ঠ শিষ্য ছিলেন।

 

তিনি আরও বলেন, শৈশব থেকেই দাদার মুখে শেরে বাংলার বীরত্ব ও সমাজ সংস্কারের গল্প শুনে আমার রাজনৈতিক কর্মী হওয়ার অনুপ্রেরণা জেগেছিল।

 

এ সময় জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শেরে বাংলা বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াতে অনন্য ভূমিকা রাখেন। তার ঐতিহাসিক ঋণ সালিশী বোর্ড গঠনের ফলেই এ দেশের শোষিত কৃষকরা ঋণের ফাঁস থেকে মুক্ত হয়েছিল এবং জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পথ সুগম হয়েছিল।

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, শেরে বাংলার মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য বা এজেন্ডা (জমিদারি উচ্ছেদ ও প্রজার মুক্তি) সফল হওয়ার পর প্রথাগত রাজনীতিতে তার উত্তরাধিকারের অবসান ঘটলেও একজন মহান সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি চিরকাল প্রাসঙ্গিক থাকবেন।

 

মন্ত্রী এই মহান নেতার কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে শেরে বাংলা ফাউন্ডেশনকে গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবু হানিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা, সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসি’র সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ।

 

এদিন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলার ২০টি এতিমখানা ও মাদ্রাসার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031