সিলেট ২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:২০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে আদিবাসী পাঁচ কিশোরী। ভারতের ঝাড়খণ্ডের রানিয়া এলাকায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ অভিযোগপত্রে জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঝাড়খণ্ডের খুঁটি জেলার রানিয়া এলাকায় পাঁচ কিশোরীকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরীদের মধ্যে তিনজনের বয়স ১২ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের পর রোববার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। খুঁটির পুলিশ সুপার (এসপি) অমন কুমার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত তদন্তে নামে এবং অভিযুক্ত ১৮ অপ্রাপ্তবয়স্ককে গ্রেপ্তার করে।
সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এবং এএনআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ বছরের বেশি বয়সী অভিযুক্তদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বিচার করা হবে। ঝাড়খণ্ডের ডিজিপি অনুরাগ গুপ্ত বলেন, ‘আমাদের সমাজে যাতে ছেলেরা এমন জঘন্য অপরাধ না করে, সে জন্যই ১৬ বছরের বেশি বয়সীদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বিচার করা হবে।
প্রথমে, অভিযুক্তদের বয়স ১২ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে থাকায় তাদের কিশোর সংশোধনাগারে (জুভেনাইল হোমে) পাঠানো হয়েছিল বলে পুলিশ পিটিআইকে নিশ্চিত করেছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির সংশোধিত ধারা বিএনএস-এর ১২৬ (২) (অবৈধভাবে বাধা দেয়া), ১২৭ (২) (অবৈধ আটক), ১১৫ (২) (স্বেচ্ছায় আঘাত করা), ১০৯ (১) (খুনের চেষ্টা) এবং ৭০ (২) (১৮ বছরের কম বয়সী নারীর বিরুদ্ধে গণধর্ষণ) ধারায় মামলা দায়ের করেছে।
এছাড়াও, পকসো আইনের ৪ নম্বর ধারা (অভেদ্য যৌন নিপীড়ন) ও ৮ নম্বর ধারা (যৌন নিপীড়নের শাস্তি) অনুযায়ীও মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ঝাড়খণ্ডজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এবং কিশোর অপরাধের বিষয়ে আরও কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি উঠেছে।