সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ উদযাপন

প্রকাশিত: ৩:১৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২৬

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ উদযাপন

লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::

 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের কয়েকটি জেলায় আজ শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন কিছু মুসল্লি। রাজধানী ঢাকার বাইরে শরিয়তপুর,লালমরিহাট,নওগা,বিরামপুর,কলাপাড়া,লক্ষীপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় কয়েক হাজার মানুষ আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও স্থানীয় পীর ও ধর্মীয় নেতাদের নির্দেশে এসব এলাকার মুসল্লিরা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তের একদিন আগে এই উৎসব পালন করছেন।

 

দৈনিক আমাদের সময়ের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

 

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের বিভিন্ন এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। জেলার নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার অন্তত ৫০টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এ ঈদ উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। আজ শুক্রবার সাড়ে ৯টায় নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পৃথক মাঠে আরও একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাতে ইমামতি করেন শাহ সুফি সৈয়দ বেলাল নূরী আল সুরেশ্বরী ও মাওলানা মো. জুলহাস উদ্দিন।

 

 

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের শতাধিক পরিবার মুসল্লি আজ ঈদ পালন করছেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মুন্সিপাড়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার, সুন্দ্রহবী, কাকিনা, চন্দ্রপু, চাপারহাট, মুন্সিপাড়াও আমিনগঞ্জ ও গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের মুসল্লিরা অংশ নেন। নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা রাশেদুল ইসলাম

 

 

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টায় পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কলোনিপাড়ায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার মহাদেবপুর, ধামইরহাট, পোরশা থেকে মুসল্লি এসে নামাজ আদায় করে। এছাড়াও পাশ্ববর্তী জয়পুরহাট ও বগুড়া থেকেও মুসল্লি আসে। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। নামাজে কয়েকটি এলাকার নারী-পুরুষসহ প্রায় ১০০ জন মুসল্লি অংশ নেয়।

 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের বিরামপুরে দুটি ইউনিয়নের প্রায় ১৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। জামাতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নেন। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদরাসা মাঠ এবং খয়েরবাড়ি-মির্জাপুরে পৃথক দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

লক্ষ্মীপুরে ১১ টি গ্রামে হাজারো মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭ টায় রামগঞ্জ উপজেলার খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া মাদ্রাসায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবার জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারো ঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপাসহ ১১টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধীক মুসল্লী ঈদ উদযাপন করছেন। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

 

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় ৮ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। সকাল সাড়ে ৯টায় সদর উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগারিয়া শাহ সুফী মমতাজিয়া দরবার শরীফ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময় চম্পাপুর, সাফাখালী, লালুয়া, ফুলতলী, পাঁচজুনিয়া, বালিয়াতলী এবং কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়া পট্টিতেও পৃথক পৃথক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031