সিলেট ৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৩৮ অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০২৬
লন্ডন বাংলা ডেস্ক ::
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা জরুরি।
বৈঠক সূত্র জানায়, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।
দীর্ঘসূত্রতার কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যায় বলে জানান কর্মকর্তারা। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তর থেকে ধাপে ধাপে অনুমতি নেওয়ার জটিলতাও বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে বলে জানানো হয়। এসব সীমাবদ্ধতার কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও সময়োপযোগী করার কড়া নির্দেশ দেন। যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, অযথাই সময়ক্ষেপণ রোধে সেগুলোকে অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে বলে জানান তারেক রহমান।
এ ছাড়া বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানাগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান এবং বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন সিকদারসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা।