বিশ্বনাথে শিক্ষক-শিক্ষিকার উপর হামলা

প্রকাশিত: ৯:০২ অপরাহ্ণ, জুন ২৮, ২০২০

Spread the love

১৪ Views

 

লন্ডন বাংলা ডেস্কঃঃ

বিশ্বনাথে মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষকদের বেতন আত্মসাৎ করার প্রতিবাদ করায় শিক্ষক-শিক্ষিকার উপর বহিরাগত ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হামলা অভিযোগ উঠেছে। হামলায় এক নারী শিক্ষকসহ ৪ শিক্ষক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রকল্পের উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার পরাগ আচার্য্য ও তিন সুপার ভাইজারকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

 

রোববার বিকেল ৪টায় উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো অফিসে এ ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, প্রকল্পের শিক্ষক উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ধলিপাড়া গ্রামের মৃত হাজী নজির উদ্দিনের ছেলে সামসুদ্দিন, একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রাসেল আহমদ, রহমান নগর গ্রামের মৃত মানিক উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান টিটু ও শিক্ষিকার নাম পাওয়া যায়নি।

 

আটককৃত বাকি তিনজন প্রকল্পের দশঘর ইউপির সুপার ভাইজার সুমন মিয়া (২৬), খাজাঞ্চি ইউপির সুপার ভাইজার আজিজুর রহমান (৩০), লামাকাজি ইউপির সুপারভাইজার ফারুক মিয়া (৩২)। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

 

শিক্ষকদের কাছ থেকে জানা গেছে, বিশ্বনাথে মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্পের আওতায় বয়স্কদের নিয়ে পরিচালিত গণশিক্ষার কার্যক্রমে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের ৩ মাসের বেতন ৭ হাজার ২০০ টাকা। কিন্তু প্রোগ্রাম অফিসার ও ৮ ইউনিয়নের সুপারভাইজাররা মিলে প্রত্যেক শিক্ষককে বেতন সীটে স্বাক্ষর নিয়ে ৫ হাজার টাকা করে দিলে শিক্ষকরা প্রতিবাদ করেন এবং এক পর্যায়ে অফিস ঘেরাও করেন।

 

এক পর্যায়ে বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের সুপারভাইজার দবির, দশঘর ইউপির সুপারভাইজার সুমন, খাজাঞ্চি ইউপির সুপারভাইজার আজিজুর রহমান, লামাকাজি ইউপির সুপারভাইজার ফারুক মিয়া ফোন করে বহিরাগত ক্যাডার বাহিনী আনেন এবং তারা উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চার শিক্ষক আহত হন।

 

উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো অফিস উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ের পাশে থাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়ার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং দবিরসহ হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান পুলিশে খবর দিলে উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার ও ৩ সুপারভাইজারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শিক্ষকরাও থানার গেইটে আবস্থান নেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম মুসা বলেন, তাদেরকে আটক করা হয়নি, মারামারি এড়াতে উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে থানায় আনা হয়।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, কোন শিক্ষককে এক টাকাও কম দেওয়ার সুযোগ নেই। শিক্ষকদের প্রাপ্য টাকা তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর হামলার ঘটনায় শিক্ষকরা যদি মামলা করে তাহলে মামলা নেওয়ার জন্য অফিসার্স ইনচার্জকে বলা হয়েছে।


Spread the love

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Follow us

আর্কাইভ

January 2022
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31